মমতার সঙ্গে বিবাদের অভিযোগ, বক্তৃতা দিয়েই মঞ্চ থেকে চলে যান কল্যাণ
কলকাতা, ২১ জুলাই (হি. স. ) : নিজের বক্তৃতা শেষ করেই ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে নেমে সটান বাড়ি চলে গেলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শোনার জন্যও অপেক্ষা করলেন না। কালীঘাটপন্থীদের একটি সূত্র বলছে, নেত্রী সংক্
মমতার সঙ্গে বিবাদের অভিযোগ, বক্তৃতা দিয়েই মঞ্চ থেকে চলে যান কল্যাণ


কলকাতা, ২১ জুলাই (হি. স. ) : নিজের বক্তৃতা শেষ করেই ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে নেমে সটান বাড়ি চলে গেলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শোনার জন্যও অপেক্ষা করলেন না। কালীঘাটপন্থীদের একটি সূত্র বলছে, নেত্রী সংক্ষেপে বক্তৃতা শেষ করার নির্দেশ দিলেও কানে তোলেননি শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ।

প্রায় সাড়ে ২২ মিনিট বক্তৃতা করেছেন কল্যাণবাবু। তার জেরে তালিকায় থাকলেও বাদ পড়তে হয় কয়েক জন সাংসদ-বক্তাকে। তা নিয়েই ‘কথা কাটাকাটি’ হয়েছে নেত্রীর সঙ্গে। বিড়লা তারামণ্ডলের সামনের মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যান নেত্রীর অনুগত বলে পরিচিত কল্যাণ। পরে তিনি জানান, অসুস্থতার কারণেই মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। বাদানুবাদের কোনও প্রশ্নই নেই।

তারামণ্ডলের সামনে মঞ্চ বেঁধে মঙ্গলবার ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করেন কালীঘাটপন্থীরা। সেখানে বক্তৃতা করছিলেন কল্যাণ। তাঁর ভাষণের মাঝেই মঞ্চে প্রবেশ করেন মমতা। সেই সময় কিছুটা থেমে আবার বক্তৃতা শুরু করেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। মঞ্চে উপস্থিত নেতা-নেত্রীদের একটি সূত্র বলছেন, নেত্রী ইঙ্গিতে কল্যাণকে ভাষণ সংক্ষিপ্ত করার কথা বলেন। অভিযোগ, তার পরেও নিজের বক্তৃতা থামাননি কল্যাণ।

তখন বিধায়ক কুণাল ঘোষ উদ্যোগী হয়ে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন। একটি সূত্র বলছে, বক্তৃতা শেষ করার পরে সঙ্গে ধমকের সুরেই কথা বলেন মমতা। সেই নিয়ে দু’জনের বাদানুবাদও হয়। তার পরেই ক্ষোভ প্রকাশ করে মঞ্চ থেকে নেমে যান কল্যাণ। সেখান থেকে সোজা চলে যান নিজের কালীঘাটের বাড়িতে। মমতার বাড়ির তিনটে বাড়ি আগেই বাসস্থান।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande