দলের ‘মূল্যবোধ ও বিবেকসম্পন্ন কর্মী-সমর্থকের’ স্মরণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা, ২১ জুলাই (হি. স.) : “আমাদের দলে অর্থবিত্তের প্রাধান্য নেই, স্থান রয়েছে কেবল মূল্যবোধ ও বিবেকসম্পন্ন কর্মী-সমর্থকের।” একুশে জুলাইয়ের অনুষ্ঠান শেষে মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে একথা লিখলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


কলকাতা, ২১ জুলাই (হি. স.) : “আমাদের দলে অর্থবিত্তের প্রাধান্য নেই, স্থান রয়েছে কেবল মূল্যবোধ ও বিবেকসম্পন্ন কর্মী-সমর্থকের।” একুশে জুলাইয়ের অনুষ্ঠান শেষে মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে একথা লিখলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি লিখেছেন, “সর্বপ্রথম আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে ২১শে জুলাইয়ের ১৩ জন অমর শহিদ-সহ রাজ্য ও সমগ্র দেশের সমস্ত গণআন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী বীর সন্তানদের জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। একুশে জুলাই শহিদ তর্পণের দিন, একুশে জুলাই নব উদ্যমে নতুন শপথ গ্রহণের দিন। আমাদের চিন্তায়, চেতনায়, জীবনযাপনে ও স্বপ্নে শহিদ দিবস চিরভাস্বর।

আজকের এই বিশেষ দিনে দলের নিরলস ও সুসংগঠিত কর্মীবৃন্দ যেভাবে কলকাতার রাজপথকে পুনরায় এক সবুজ সমুদ্রে পরিণত করেছেন, তা সত্যি অভাবনীয় ও অকল্পনীয়। জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত আবেগ কেবল অকৃত্রিম ভালোবাসার শক্তিতেই অর্জন করা সম্ভব।

আজ শহিদ তর্পণের দিনে আমাদের ঐতিহাসিক সভাস্থলে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের সকলের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের মাতৃভূমিকে বিজেপির স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত করব, এটিই আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার। বাংলাই আগামী দিনে ভারতের অস্তিত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা করবে। জোরপূর্বক বিজেপি বাংলার ক্ষমতা দখলের পর থেকে রাজ্যের সাধারণ মানুষ যে অবহেলা, বঞ্চনা ও নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন, গণতান্ত্রিক পথেই তার যোগ্য জবাব দিতে হবে।

সমগ্র দেশজুড়ে আজ আমাদের নারীসমাজ নির্যাতনের শিকার। এই জঘন্য ও নিন্দনীয় কৃতকর্মের উত্তর বিজেপিকে দিতেই হবে। সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি দেওয়া, সহিংসতার পরিবেশ তৈরি করা এবং বিভাজনের রাজনীতি ছড়িয়ে দেওয়াই বিজেপির মূল চালিকাশক্তি। আগামী দিনে আমাদের একজোট হয়ে এই কুশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।

জয় হিন্দ! জয় বাংলা!

তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ! মা-মাটি-মানুষ জিন্দাবাদ!”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande