(আপডেট) চলন্ত সিএনজি সিলিন্ডার বোঝাই ট্রাকে ভয়াবহ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা বড়সড় বিস্ফোরণ
বাঁকুড়া, ২২ জুলাই (হি.স.): দুপুরে বাঁকুড়া–পুরুলিয়া রাজ্য সড়কের পুয়াবাগান এলাকায় সিএনজি গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই একটি চলন্ত ট্রাকে আচমকা আগুন লেগে আতঙ্ক ছড়াল। আগুনের জেরে ট্রাকটি ছাড়াও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি বাইক ও স্কুটিতে আগু
(আপডেট) চলন্ত সিএনজি সিলিন্ডার বোঝাই ট্রাকে ভয়াবহ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা বড়সড় বিস্ফোরণ


বাঁকুড়া, ২২ জুলাই (হি.স.): দুপুরে বাঁকুড়া–পুরুলিয়া রাজ্য সড়কের পুয়াবাগান এলাকায় সিএনজি গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই একটি চলন্ত ট্রাকে আচমকা আগুন লেগে আতঙ্ক ছড়াল। আগুনের জেরে ট্রাকটি ছাড়াও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি বাইক ও স্কুটিতে আগুন ধরে যায়। ঝলসে যায় রাস্তার পাশের কয়েকটি গাছও। তবে দমকলের তৎপরতায় বড়সড় বিস্ফোরণের ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে সিএনজি গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই ট্রাকটি বাঁকুড়া–পুরুলিয়া রাজ্য সড়ক ধরে যাওয়ার সময় পুয়াবাগান এলাকায় আচমকা গ্যাস লিক হতে শুরু করে। চালক বিষয়টি বুঝতে পেরে ট্রাকটি দাঁড় করিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং এরপরই আগুন ধরে যায়।

আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি মোটরবাইক ও স্কুটিতেও আগুন ধরে যায়। আগুনে রাস্তার পাশের কয়েকটি গাছও ঝলসে যায়। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচলতি মানুষজন।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দুটি ইঞ্জিন এবং পুলিশ বাহিনী। দমকলকর্মীরা বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে আগুন নেভানোর পাশাপাশি ট্রাকে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারগুলিকে ক্রমাগত ঠান্ডা করার কাজ চালান, যাতে কোনওভাবে বিস্ফোরণ না ঘটে। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ট্রাকটি-সহ বেশ কয়েকটি মোটরবাইক আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই।

প্রত্যক্ষদর্শী অনন্ত দাস বলেন, “আমি মোটরবাইক দাঁড় করিয়ে একটি মুদিখানার জিনিস নিচ্ছিলাম। আচমকা শোঁ শোঁ শব্দ শুনতে পাই। তারপর দেখি গ্যাসের ট্রাকটি দাঁড়িয়ে পড়েছে। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা গ্যাসে ছেয়ে যায়। এরপরই আগুন ধরে যায়।”

তিনি আরও বলেন, আগুন লাগার পর মানুষজন আতঙ্কে দৌড়ে এলাকা ছেড়ে পালাতে শুরু করেন। ততক্ষণে তাঁর মোটরবাইকেও আগুন ধরে যায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পথচলতি মানুষ এবং অন্যান্য গাড়ির চালকেরা নিরাপদ দূরত্বে সরে যান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই রাজ্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। দমকলের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।

কী কারণে গ্যাস লিক হল, ট্রাকটিতে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি যথাযথভাবে মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও দমকল। এক পুলিশ আধিকারিকের প্রাথমিক অনুমান, সিলিন্ডারগুলির ঘষাঘষির ফলে গ্যাস লিক হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। ঘটনার পর থেকেই ট্রাকের চালক পলাতক।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande