
- ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং পরিস্থিতির অবনতির ওপর নির্ভর করে এই সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত করা হতে পারে, ঘোষণা আজমলের
- ‘গত ৫০ বছরের মধ্যে এ ধরনের প্রলয়ঙ্করী বন্যা দেখনি অসম।’
- বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে দেশ তথা বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন বদরউদ্দিন আজমলের
গুয়াহাটি, ২২ জুলাই (হি.স.) : অসমে ক্রমশ ভয়াবহ রপ ধারণকারী বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন ‘অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্ৰ্যাটিক ফ্ৰন্ট’ (এআইইউডিএফ)-এর সভাপতি তথা বিধায়ক তথা প্ৰাক্তন সাংসদ বদরউদ্দিন আজমল। আজমল জানিয়েছেন, বন্যাত্রাণের জন্য সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা সহায়তা প্রদান করবেন তিনি। এর মধ্যে আজমল ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে অবিলম্বে ৫০ লক্ষ টাকা জরুরি ত্রাণ হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে, জানান তিনি।
আজ বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বদরউদ্দিন আজমল বলেন, ‘রাজ্যের একাধিক নদী ও উপনদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গত ৫০ বছরের মধ্যে এ ধরনের প্রলয়ঙ্করী বন্যা দেখনি অসম।’ তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমি বিধানসভার অধ্যক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি, রাজ্যের সব বিধায়ককে দুদিনের জন্য বন্যাকবলিত এলাকায় পাঠিয়ে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিতে। এছাড়া বিধানসভায় দুদিনের জন্য বিশেষ অধিবেশন ডেকে বন্যার ওপর আলোচনা করার ব্যবস্থা নিতে আর্জি জানিয়েছি।’
অসমের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে দেশ তথা বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন বদরউদ্দিন আজমল।
বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যালোচনা এবং ত্রাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে আজ বুধবার তিনি শিবসাগর, চড়াইদেও এবং যোরহাট জেলার বন্যাকবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শনে যাবেন।
আজমল ফাউন্ডেশন-এর পক্ষ থেকে অবিলম্বে ৫০ লক্ষ টাকার ত্রাণ বরাদ্দ করা হলেও, বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং পরিস্থিতির অবনতির ওপর নির্ভর করে এই সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত করা হতে পারে বলেও ঘোষণা করেছেন বদরউদ্দিন আজমল। তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের পাশে দাঁড়াবে আজমল ফাউন্ডেশন।
তিনি জানান, আজমল ফাউন্ডেশন-এর স্বেচ্ছাসেবীরা ইতিমধ্যেই উজান অসমের একাধিক বন্যাকবলিত এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাদ্যসামগ্রী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ শুরু করেছেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস