রথযাত্রা ও শ্রাবণী মেলায় সহায়তা নিয়ে উদ্যোক্তাদের প্রশ্ন নবান্নে
কলকাতা, ৩ জুলাই (হি. স. ) : রথযাত্রা ও শ্রাবণী মেলা ঘিরে উৎসব আরও আনন্দময় করে তুলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। সেই খবর পেয়ে বিভিন্ন মেলার উদ্যোক্তারা নবান্ন এবং নগরোন্নয়ন দফতরে খোঁজ করতে শুরু করেছেন। আগামী ১৬ জুলাই রথযাত্রা। আর গোটা
রথযাত্রা ও শ্রাবণী মেলায় সহায়তা নিয়ে উদ্যোক্তাদের প্রশ্ন নবান্নে


কলকাতা, ৩ জুলাই (হি. স. ) : রথযাত্রা ও শ্রাবণী মেলা ঘিরে উৎসব আরও আনন্দময় করে তুলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। সেই খবর পেয়ে বিভিন্ন মেলার উদ্যোক্তারা নবান্ন এবং নগরোন্নয়ন দফতরে

খোঁজ করতে শুরু করেছেন।

আগামী ১৬ জুলাই রথযাত্রা। আর গোটা শ্রাবণ মাস জুড়ে রাজ্যের একাধিক স্থানের শিবমন্দিরগুলিতে পুণ্যার্থীদের ভিড়, শ্রাবণী মেলা।

হিন্দুদের এসব রীতিনীতি যাতে ভালোভাবে পালিত হয়, তার জন্য নতুন করে একাধিক ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নবান্নে ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। আলোচনার পর রাজ্যের পুর ও নগরোন্নেয়ন দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল নানা সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

এর পরেই বিভিন্ন মেলার উদ্যোক্তাদের মধ্যে প্রশ্ন জেগেছে, কী ধরণের সহায়তা দেওয়া হবে, এই সহায়তার জন্য কার কাছে আবেদন করতে হবে প্রভৃতি।

তারকেশ্বর, জলপাইগুড়ির জল্পেশ, কালচিনির মহাকাল মন্দিরে শ্রাবণ মাসের প্রতি রবিবার কপ্টার থেকে পূণ্যার্থীদের মাথায় পুষ্পবৃষ্টি করা হবে।

এই সব জায়গায় লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থী মহাদেবের মাথায় প্রতি বছর জল ঢালতে আসেন। গোটা মাস ধরে প্রচুর ভিড় হয়। তারকেশ্বরের ভিড় সবচেয়ে বেশি। পুণ্যার্থীদের জন্য এসব জায়গায় জায়গায় থাকবে সরকারি সহায়তা শিবির।

অগ্নিমিত্রা জানান, যে সমস্ত একশো, দেড়শো বা তারও প্রাচীন রথযাত্রা আর্থিক দুর্বলতায় ভুগছে বা টিমটিম পালিত হয়, সেসব রথযাত্রায় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ভাবনা রাজ্য সরকারের।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande