এমজিএনরেগা প্রকল্প পুনরায় চালুর দাবিতে ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের গণঅবস্থান আগরতলায়
আগরতলা, ৩ জুলাই (হি.স.) : এমজিএনরেগা প্রকল্প পুনরায় চালু এবং ভিবি-জি রাম জি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে তিন ঘণ্টার গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করল ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের পশ্চিম জেলা কমিটি। শুক্রবার আগরতলায় সিটি সেন্টার চত্বরে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জ
আগরতলায় গণঅবস্থান


আগরতলা, ৩ জুলাই (হি.স.) : এমজিএনরেগা প্রকল্প পুনরায় চালু এবং ভিবি-জি রাম জি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে তিন ঘণ্টার গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করল ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের পশ্চিম জেলা কমিটি। শুক্রবার আগরতলায় সিটি সেন্টার চত্বরে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্ষেতমজুর, শ্রমিক ও সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার এমজিএনরেগা-র পরিবর্তে ভিবি-জি রাম জি প্রকল্প চালুর উদ্যোগ নেওয়ায় গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান ও আইনি অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাঁদের দাবি, এমজিএনরেগা ছিল গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের অন্যতম ভরসা, যেখানে বছরে ১০০ দিনের কাজের আইনি নিশ্চয়তা ছিল। নতুন ব্যবস্থায় সেই অধিকার আর থাকবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তাঁরা।

গণঅবস্থান কর্মসূচি প্রসঙ্গে ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের পশ্চিম জেলা কমিটির সম্পাদক শ্যামল দে বলেন, সারা দেশে ১ জুলাই একই দাবিতে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পশ্চিম জেলা কমিটি শুক্রবার সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণঅবস্থান পালন করছে।

তিনি বলেন, এমজিএনরেগা প্রকল্পে শ্রমিকদের কাজ পাওয়ার একটি আইনি অধিকার ছিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল সরকারের। কিন্তু ভিবি-জি রাম জি প্রকল্পে সেই অধিকার নেই। ফলে গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের কাজের সুযোগ সংকুচিত হবে এবং গ্রামের অর্থনীতিতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি আরও বলেন, অবিলম্বে এমজিএনরেগা প্রকল্প আগের মতো চালু করতে হবে এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে হাঁটারও হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনের নেতারা।

গণঅবস্থান কর্মসূচি শেষে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে দাবি-সম্বলিত বার্তা তুলে ধরা হয়। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande