
নয়াদিল্লি, ৩০ জুলাই (হি.স.): ‘বন্দে মাতরম’-কে জাতীয় সঙ্গীতের সমতুল্য আইনি মর্যাদা ও সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে আনা জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ বিল, ২০২৬ বৃহস্পতিবার লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাস হয়েছে। এর আগেই বুধবার বিলটি রাজ্যসভায় অনুমোদন পেয়েছিল।
বিরোধীদের হইচইয়ের মধ্যেই বিলটি নিয়ে আলোচনার জবাব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়। এরপর ধ্বনিভোটে বিলটি পাস হয়। পরে লোকসভার অধিবেশন শুক্রবার পর্যন্ত মুলতুবি ঘোষণা করা হয়।
সরকারের দাবি, এই সংশোধনী দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করবে। নিত্যানন্দ রায় বলেন, এটি শুধু একটি আইন সংশোধন নয়, বরং ভারতের জাতীয় চেতনা ও স্বাধীনতা সংগ্রামের আদর্শের প্রতি দেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। তাঁর বক্তব্য, ১৯৭১ সালের আইনের মাধ্যমে যেমন জাতীয় সঙ্গীতকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল, তেমনই ‘বন্দে মাতরম’-কেও একই ধরনের মর্যাদা দেওয়া প্রয়োজন।
আলোচনায় তিনি ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ, সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং স্বামী বিবেকানন্দের বক্তব্যের উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ‘বন্দে মাতরম’ জাতীয় ঐক্য, ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ এবং উন্নত ভারতের প্রতীক। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় চন্দ্রশেখর আজাদ, রামপ্রসাদ বিসমিল, অশফাক উল্লা খান ও ক্ষুদিরাম বসুর মতো বিপ্লবীদের কণ্ঠেও ‘বন্দে মাতরম’-এর ধ্বনি উচ্চারিত হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য