প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের অন্তর্বর্তী জামিন, ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরার নির্দেশ
কলকাতা, ৪ জুলাই (হি.স.): জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর শাকির আলি জামিন পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারও অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন। শনিবার তিনি শ্রীরামপুর মহকুমা আদালতে আত্মসমর
অপরূপা পোদ্দার


কলকাতা, ৪ জুলাই (হি.স.): জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর শাকির আলি জামিন পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারও অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন। শনিবার তিনি শ্রীরামপুর মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাঁকে এই স্বস্তি দেয়। তবে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর তাঁকে সল্টলেকের ময়ূখ ভবনে অবস্থিত বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অপরূপা পোদ্দারকে আবারও নোটিশ পাঠানো হতে পারে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শাকির আলির গ্রেফতারি চলাকালীন সেখানে আর কারা উপস্থিত ছিলেন, সেই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার শাকির আলিকে গ্রেফতারের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অপরূপা পোদ্দারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। শুক্রবার তাঁকে শ্রীরামপুর থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও, পুলিশের দাবি অনুযায়ী তিনি নির্দিষ্ট দিনে উপস্থিত হননি। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারা যুক্ত করা হয়, যার জেরে আইনি রক্ষাকবচ পেতে তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়।

শনিবার আদালত থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পাওয়ার পর অপরূপা পোদ্দার সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি কেবল জানান, এই বিষয়ে তাঁর আইনজীবীরাই যা বলার বলবেন।

তাঁর আইনজীবী জয়দীপ মুখোপাধ্যায় জানান, তাঁরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালতে হাজিরা দেবেন। পুলিশের ভূমিকার ওপর প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা দায়ের করেছে এবং এই অভিযোগগুলির সঙ্গে বাস্তব তথ্যের কোনো মিল নেই। আদালতে এই মামলার আইনি লড়াই লড়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

অন্যদিকে, চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার যাদব জানিয়েছেন, মামলার কিছু তথ্য খতিয়ে দেখার জন্যই অপরূপা পোদ্দারকে তলব করা হয়েছিল। প্রয়োজন পড়লে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আবারও নোটিশ পাঠিয়ে ডাকা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande