নদীতে জল কমছে, দেখা মিলেছে রোদের, অসমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, বন্যাপরবৰ্তী দুর্ভোগ চরমে
গুয়াহাটি, ৪ জুলাই (হি.স.) : দুদিন ভারী বৃষ্টিপাত হয়নি, ফলে ব্রহ্মপুত্র ও তার উপনদীগুলিতে কমেছে জল। দেখা মিলেছে রোদেরও। ফলে অসমের বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তবে বন্যাপরবর্তী চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নাগরিককুলের। কোচবিহারেও তোর্সার জল
ধেমাজির বন্যা (ফাইল ছবি)


গুয়াহাটি, ৪ জুলাই (হি.স.) : দুদিন ভারী বৃষ্টিপাত হয়নি, ফলে ব্রহ্মপুত্র ও তার উপনদীগুলিতে কমেছে জল। দেখা মিলেছে রোদেরও। ফলে অসমের বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তবে বন্যাপরবর্তী চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নাগরিককুলের। কোচবিহারেও তোর্সার জল নামতে শুরু করলেও অসমে বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএসডিএমএ) সূত্ৰে জানা গেছে, বর্তমানে রাজ্যের একমাত্র বন্যাকবলিত জেলা ধেমাজি। সেখানে এখনও ২,৪৯৫ জন পুরুষ, ২,৩৯৯ জন মহিলা এবং ১,৭৮৪ জন শিশু বন্যার জলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এর আগের দিন ধেমাজি ও ডিব্রুগড়, এই দুই জেলায় মোট ২৫,১০০ জন মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ছিলেন। তার তুলনায় পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।

ধেমাজি জেলায় স্থাপিত তিনটি ত্রাণ শিবিরে বর্তমানে ১২৯ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া চলতি বন্যায় ৪,৭৬৫টি গবাদি পশুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এএসডিএমএ জানিয়েছে, শুক্র বা আজ শনিবার নতুন করে কোনও মৃত্যুর ঘটনা বা নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে চলতি বছরে অসমে বন্যাজনিত মৃত্যুর সংখ্যা এখনও দুই-ই রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় বড় ধরনের পরিকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ধেমাজি জেলার একটি সড়ক আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande