গুয়াহাটিতে পুলিশের গুলি, জখম বহু লক্ষ টাকার জাল নোট কাণ্ডে ধৃত
গুয়াহাটি, ৪ জুলাই (হি.স.) : গুয়াহাটিতে দুদিন আগে বমাল ধৃত জাল নোট চক্রের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত অজয় বিশ্বকর্মা পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে গুলি করে রুখেছে পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অজয়কে গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তা
গুয়াহাটিতে পুলিশের গুলি, জখম জাল নোট কাণ্ডে ধৃত


গুয়াহাটি, ৪ জুলাই (হি.স.) : গুয়াহাটিতে দুদিন আগে বমাল ধৃত জাল নোট চক্রের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত অজয় বিশ্বকর্মা পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে গুলি করে রুখেছে পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অজয়কে গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে।

পূর্ব গুয়াহাটির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিসিপি) টিআর পেগু জানান, শুক্রবার গভীর রাতে জিজ্ঞাসাবাদের সময় অজয় বিশ্বকর্মা কালাক্ষেত্র এলাকায় একটি জাল নোট ছাপার মেশিনের সন্ধান দেয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী দল তাঁকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর আজ (শনিবার) ভোররাতে অভিযুক্ত পুলিশি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করে। প্রথমে তাকে থামানোর জন্য পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। তাতে সে থামেনি। পালিয়ে যাওয়া রুখতে তার পা লক্ষ্য করে দু-রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এর মধ্যে একটি গুলি তার ডান পায়ে লাগে, বলেন ডিসিপি। তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ অজয় বিশ্বকর্মাকে দ্রুত গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার পুলিশ জানিয়েছিল, গুয়াহাটিতে দুটি পৃথক অভিযানে মোট ১৩ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা মূল্যের জাল ভারতীয় মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে মোট পাঁচজনকে। তাঁদের মধ্যে তিনজন উত্তরাখণ্ডের কানপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বাকি দুজন অসমের শিলাপথারের দেবজিৎ দেউরি এবং অজয় বিশ্বকর্মা। এরা দুজনেই ধেমাজি জেলার দেওরিগাঁও এলাকার বাসিন্দা।

গত ২ জুলাই দিশপুর থানার অন্তর্গত সিক্স মাইল এলাকায় নাগাল্যান্ড হাউসের কাছে একটি মারুতি সুইফট ডিজায়ার গাড়ি আটক করে ২ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকার জাল নোট এবং অন্যান্য আপত্তিকর সামগ্রী সহ পুলিশ দেবজিৎ দেউরি এবং অজয় বিশ্বকর্মাকে গ্রেফতার করে।

এদিকে, গুলিবিদ্ধ অভিযুক্তের দাবি, জাল নোট চক্রের সঙ্গে কয়েকজন পুলিশকর্মীরও যোগ রয়েছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও যাচাই করা যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখনও এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডিসিপি টিআর পেগু জানিয়েছেন, জাল নোটের উৎস এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande