চন্দ্রিমার পদত্যাগকে আমলই দিতে চাইলেন না মমতা
কলকাতা, ৪ জুলাই (হি.স.): দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগকে আমলই দিতে চাইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার এক ভিডিয়োবার্তায় মমতা বলেন, ‘‘কেউ এক জন কোথায় গেল, আই ডোন্ট কেয়ার। আমি নেতা চাই না, কর্মী চাই।’’ তবে দলের ভাঙন
মমতা বন্দ্যোাপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য


কলকাতা, ৪ জুলাই (হি.স.): দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগকে আমলই দিতে চাইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার এক ভিডিয়োবার্তায়

মমতা বলেন, ‘‘কেউ এক জন কোথায় গেল, আই ডোন্ট কেয়ার। আমি নেতা চাই না, কর্মী চাই।’’

তবে দলের ভাঙন নিয়ে মমতা যে বিড়ম্বনায় রয়েছেন, তা শনিবার ২৬ মিনিটের ভিডিয়োবার্তায় বার বার প্রতিফলিত হল। বক্তৃতার শুরুতেই উঠে এল ‘আমার তৃণমূল কংগ্রেস’ বা ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’-এর মতো শব্দবন্ধ। একই সঙ্গে বিঁধলেন ঋতব্রত-শিবিরকেও।

তিনি বললেন, “যাঁরা আমার সই করা সিম্বলে জিতেছেন, তাঁরা আজ বলছেন ২০২৩ সালের পর এই পার্টির কোনও অস্তিত্ব নেই।” এ প্রসঙ্গে মমতার দাবি, “আমাদের ২০২৭ সালের অক্টোবরে আবার ইলেকশন (দলীয় ভোটাভুটি) হওয়ার কথা। দলীয় সংবিধানে এটা বলা আছে। যদি ২০২৩ সালেই দলের স্বীকৃতি শেষ হয়ে যায়, তা হলে ২০২৬ সালে দাঁড়ালেন কী করে! পার্টির সিম্বল তো আমি দিয়েছিলাম।”

বিদ্রোহী’ শিবিরকে নিশানা করে মমতার প্রশ্ন, “দু’মাসও ধৈর্য্য ধরতে পারলেন না? এত তাড়াতাড়ি দলের সঙ্গে বেইমানি করে চলে গেলেন? বেইমানিরও তো একটা সীমা থাকা উচিত।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande