
কলকাতা, ৪ জুলাই(হি.স.): ‘‘ভ্যানিশ কুমার বাবু আমাদের পার্টিকে ফিনিশ করার জন্য ইলেকশনটাও করেছে… সিম্বল দিয়েও দেয়, তাতে কী যায় আসে”? শনিবার এভাবেই
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে একহাত নিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা বলেন, “সিম্বল সেটাই হয়, যেটা সাধারণ মানুষ গ্রহণ করে। আমি এই সিম্বল দিয়ে ১ মাস ২২ দিনের মাথায় লড়াই করেছিলাম। তখন সিম্বল কাউকে চেনাতে পারিনি। এখন যদি আমি গলায় সিম্বল ঝুলিয়ে মানুষের কাছে বেরোই, আপনারা কী আমার কণ্ঠরোধ করতে পারবেন! অত সস্তা নয়।”
সমাজমাধ্যমে ২৬ মিনিটের সরাসরি ভিডিয়ো বার্তায় তাঁকে বলতে শোনা গেল, প্রতীক যদি হাতছাড়া হয়েও যায়, ‘তাতে কী যায় আসে’! মনে করিয়ে দিলেন ২৮ বছর আগে যখন দলের জন্ম হয়েছিল তখন মাত্র ৫২ দিন সময় পেয়েছিলেন মানুষকে দলের প্রতীক চেনানোর। জন্মলগ্ন থেকে তৃণমূলের সাংগঠনিক কাজ যে ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট থেকেই পরিচালিত হয়েছে সেটাও মনে করিয়ে দেন মমতা।
তা হলে কি তাঁর তৈরি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক থেকে শুরু করে দলীয় কার্যালয় সব কিছু হারাতে পারেন, এই আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে বর্ষীয়ান নেত্রীর মনে? কে আসল তৃণমূল, তা নির্ধারণ করতে আগামী সোমবারের মধ্যে তৃণমূলের দুই শিবিরের বক্তব্য জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত