দু'কামরার বাড়িতে ৩৬.৪৪ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল! কোডারমায় চাঞ্চল্য
কোডারমা, ৫ জুলাই (হি.স.) : বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতিতে ঝাড়খণ্ডের কোডারমায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। শহরের কোলটেক্স এলাকার বাসিন্দা স্বরূপ সরকারের দু''কামরার সাধারণ বাড়ির জন্য বিদ্যুৎ দফতর ৩৬ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৬৪ টাকার বকেয়া বিল পাঠিয়েছে। শুধু
দু'কামরার বাড়িতে ৩৬.৪৪ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল! কোডারমায় চাঞ্চল্য


কোডারমা, ৫ জুলাই (হি.স.) : বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতিতে ঝাড়খণ্ডের কোডারমায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। শহরের কোলটেক্স এলাকার বাসিন্দা স্বরূপ সরকারের দু'কামরার সাধারণ বাড়ির জন্য বিদ্যুৎ দফতর ৩৬ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৬৪ টাকার বকেয়া বিল পাঠিয়েছে। শুধু তাই নয়, ১৫ দিনের মধ্যে ওই বিপুল অঙ্কের টাকা জমা না দিলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নোটিসও জারি করা হয়েছে।

স্বরূপ সরকারের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে তিনি বিদ্যুৎ বিলের ভুল সংশোধনের জন্য বারবার দফতরের দ্বারস্থ হয়েছেন। লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান না করে উল্টে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, একটি সাধারণ বাড়িতে কখনওই এত বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে না।

ঝাড়খণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ নিগম লিমিটেডের কোডারমা বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগ থেকে জারি করা নোটিসে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি বকেয়া আদায়ে আইনি পদক্ষেপও করা হবে।

শুধু স্বরূপ সরকারই নন, কোডারমার আরও একাধিক গ্রাহকের কাছেও অস্বাভাবিক অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল পাঠানো হয়েছে। লখিবাগির মহেশ পাণ্ডের নামে ৬৯ লক্ষ ৭৬ হাজার ৪৯২ টাকা, আইনগো বিঘার রূপা সামন্তর নামে ৪ লক্ষ ২৫ হাজার ৪৮৯ টাকা, রণজিৎ সিংয়ের নামে ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৬৬২ টাকা, সুজানপুরের অনিল কুমারের নামে ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪১৯ টাকা, নয়া ডিহির রামু পাসওয়ানের নামে ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৫৮২ টাকা এবং রাজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নামে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৮২৭ টাকার বিল পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎ দফতর এগুলিকে 'বিতর্কিত বিল' হিসেবে চিহ্নিত করলেও দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সংশোধনের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

রবিবার স্থানীয়রা অভিযোগ করেন , বিলে ভুল থাকলে প্রথমে তার তদন্ত ও যাচাই হওয়া উচিত ছিল। অভিযোগের নিষ্পত্তি না করেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নোটিস পাঠানো সাধারণ গ্রাহকদের সঙ্গে অন্যায়। গোটা ঘটনায় বিদ্যুৎ দফতরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande