নারদ জয়ন্তীতে ১৭ জন সাংবাদিককে ‘নারদ সম্মান-২০২৬’ প্রদান, নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার বার্তা
কলকাতা, ৫ জুলাই (হি. স.):- বিশ্ব সংবাদ কেন্দ্র, দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত সমিতির উদ্যোগে রবিবার কলকাতার শিশির মঞ্চে আয়োজিত হলো ‘নারদ জয়ন্তী উদযাপন ও নারদ সম্মান-২০২৬’ অনুষ্ঠান| এই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সত্যনিষ্ঠা ও জাতীয় দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মোট ১৭ জন সাংবাদিককে ‘নারদ সম্মান-২০২৬’ প্রদান করা হয়।
নারদ পুরস্কার

‘নারদ সম্মান-২০২৬’-এ ভূষিত প্রবীণ সাংবাদিকরা
নারদ সম্মান
 
 
নারদ সম্মান


কলকাতা, ৫ জুলাই (হি. স.): বিশ্ব সংবাদ কেন্দ্র, দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত সমিতির উদ্যোগে রবিবার কলকাতার শিশির মঞ্চে আয়োজিত হলো ‘নারদ জয়ন্তী উদযাপন ও নারদ সম্মান-২০২৬’ অনুষ্ঠান| এই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সত্যনিষ্ঠা ও জাতীয় দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মোট ১৭ জন সাংবাদিককে ‘নারদ সম্মান-২০২৬’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর. এন. রবি। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ড. কল্যাণ চক্রবর্তী, ‘অর্গানাইজার’-এর সম্পাদক প্রফুল্ল কেতকর এবং ড. জিষ্ণু বসু প্রমুখ।

এদিন ‘নারদ সম্মান-২০২৬’-এ ভূষিত করা হয় বহুভাষী সংবাদ সংস্থা হিন্দুস্থান সমাচার-এর পশ্চিমবঙ্গের ব্যুরো প্রধান সন্তোষ কুমার মধুপ-সহ প্রবীণ ও নবীন মিলিয়ে মোট ১৭ জন সাংবাদিককে| প্রবীণ সাংবাদিক রথীন্দ্র মোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজয় আঢ্য, স্বপন দাশগুপ্ত, ভজনলাল গঙ্গোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ দত্ত ও রঞ্জিত রায়কে সম্মাননা প্রদান করা হয়| এছাড়াও সম্মান জানানো হয় সাংবাদিক সাহানা মুখোপাধ্যায়, পিনাকপাণি ঘোষ, স্বর্ণালী সরকার, সন্তু কুমার পান (সাংবাদিক তথা তারকেশ্বরের বিধায়ক), অনির্বাণ সিনহা, শুভ বন্দ্যোপাধ্যায়, শফিকুল ইসলাম, অদ্বিতীয়া রায়, প্রবীর ভট্টাচার্য, রক্তিম দাসকে|

৬ জন প্রবীণ সাংবাদিককে ‘নারদ সম্মান-২০২৬’ প্রদান করেন রাজ্যপাল আর. এন. রবি| অন্য ১১ জন সাংবাদিকের হাতে নারদ সম্মান-২০২৬’ তুলে দেন মন্ত্রী ড. কল্যাণ চক্রবর্তী, ‘অর্গানাইজার’-এর সম্পাদক প্রফুল্ল কেতকর এবং ড. জিষ্ণু বসু।

অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ড. রাকেশ দাশের পরিবেশনায় দেবর্ষি নারদের স্তোত্র পাঠের মাধ্যমে। এরপরে অতিথিদের চন্দন তিলক ও পুষ্পাঞ্জলির মাধ্যমে সংবর্ধনা জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, দেবর্ষি নারদ শুধুমাত্র পৌরাণিক চরিত্র নন, তিনি সত্য, সংলাপ ও জনকল্যাণভিত্তিক সাংবাদিকতার আদর্শ প্রতীক। তিনি সর্বদা সঠিক সংবাদ সঠিক স্থানে পৌঁছে দিয়ে সমাজে সুস্থ যোগাযোগের পরিবেশ গড়ে তুলেছিলেন। আধুনিক সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও দায়বদ্ধতার ভিত্তিও এই মূল্যবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত বলে বক্তারা মত প্রকাশ করেন।

স্বাগত ভাষণে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায় বলেন, একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব কেবল সংবাদ পরিবেশন নয়, সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে সত্য ও তথ্যকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তুলে ধরা। ড. জিষ্ণু বসু বলেন, দেবর্ষি নারদ সত্য প্রতিষ্ঠা ও জনকল্যাণে নিবেদিত ছিলেন। ড. কল্যাণ চক্রবর্তী মন্তব্য করেন, ভারতীয় ঐতিহ্যে নারদ জ্ঞান, সংলাপ ও সত্যের প্রতীক।

অর্গানাইজার-এর সম্পাদক প্রফুল্ল কেতকর বলেন, সাংবাদিকতা কেবল তথ্য পরিবেশনের মাধ্যম নয়, সমাজকে সঠিক দিশা দেখানোও একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সভাপতির ভাষণে রাজ্যপাল আর. এন. রবি বলেন, গণতন্ত্রে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি সাংবাদিকদের সত্য, নিরপেক্ষতা ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের পর্বের সমাপ্তি হয় ধন্যবাদজ্ঞাপন, জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় স্তোত্র পরিবেশনের মাধ্যমে ।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande