নদীয়ায় বিজেপি কর্মীর হাত-পা বাঁধা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুনের আশঙ্কা
নদীয়ায়, ৬ জুলাই (হি.স.): নদীয়ার কল্যাণী থানার অন্তর্গত সাহেববাগান এলাকায় সোমবার সকালে এক বিজেপি কর্মীর হাত-পা বাঁধা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ শিকদার। তাঁর এই রহস্যমৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পু
নদীয়ায় বিজেপি কর্মীর হাত-পা বাঁধা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুনের আশঙ্কা


নদীয়ায়, ৬ জুলাই (হি.স.): নদীয়ার কল্যাণী থানার অন্তর্গত সাহেববাগান এলাকায় সোমবার সকালে এক বিজেপি কর্মীর হাত-পা বাঁধা ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ শিকদার। তাঁর এই রহস্যমৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পুলিশ আত্মহত্যা এবং খুন— উভয় দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত শুরু করেছে।

মৃতের পরিবারের সদস্যরা নির্দিষ্ট কারও নাম করে খুনের অভিযোগ না জানালেও, তাঁরা স্পষ্ট দাবি করেছেন যে বিশ্বজিৎ আত্মহত্যা করতে পারেন না। পাশাপাশি, পুলিশের তদন্তের ওপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে রেললাইনের পাশে একটি আম বাগানের গাছের সঙ্গে বিশ্বজিতের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়েই পরিবারের সদস্য এবং বিজেপি নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে কল্যাণী থানার পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল (জেএনএম) হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করলে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বজিৎ শিকদার বিজেপির একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তাঁর বাবা কল্যাণী মন্ডল-২ এর ১২৭ নম্বর বুথের বিজেপি সভাপতি।

বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে অভিহিত করা হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের অভিযোগ, বিশ্বজিৎকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করার পর দেহটি গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এর আগেও এই পরিবারকে একাধিকবার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, একসময় বিশ্বজিতের ওপর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্য চাপও সৃষ্টি করা হয়েছিল।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের আরও অভিযোগ, এলাকায় তৃণমূলের কথিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কারণেই বিশ্বজিৎকে নিশানা করা হয়েছিল। এর আগেও তাঁর ওপর মারধর এবং তাঁর দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল বলে দাবি দলের। বিজেপি নেতারা এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। আপাতত পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande