জলে ফেলার সময় বেঁচেই ছিল কিশোরী, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট দেখে অনুমান পুলিশের
কলকাতা, ৬ জুলাই (হি. স.): খুন করে নয়, জীবিত অবস্থাতেই বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বারুইপুরের কিশোরীকে। সোমবার ময়নাতদন্তের যে প্রাথমিক রিপোর্ট এসেছে, তা থেকে এমনটাই ধারণা পুলিশের। রিপোর্টে বলা হয়েছে, নাবালিকার ফুসফুসে কাদা জল পাওয়া গিয়ে
জলে ফেলার সময় বেঁচেই ছিল কিশোরী, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট দেখে অনুমান পুলিশের


কলকাতা, ৬ জুলাই (হি. স.): খুন করে নয়, জীবিত অবস্থাতেই বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বারুইপুরের কিশোরীকে। সোমবার ময়নাতদন্তের যে প্রাথমিক রিপোর্ট এসেছে, তা থেকে এমনটাই ধারণা পুলিশের।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, নাবালিকার ফুসফুসে কাদা জল পাওয়া গিয়েছে। খুন করার পরে দেহ জলে ফেলা হলে যেটা হওয়ার কথা নয়। ডুবে মৃত্যু হলেই ফুসফুসে জল পাওয়া যায়। ফলে নাবালিকাকে যখন জলে ফেলা হয়, তখনও সে বেঁচে ছিল বলেই পুলিশের অনুমান।

রিপোর্ট অনুযায়ী, তার আগে বীভৎস অত্যাচারের শিকার হয়েছিল সে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, নাবালিকার যৌনাঙ্গে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ক্ষত রয়েছে মাথাতেও, যা ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করার কারণে বা শক্ত কোনও জায়গায় ঠুকে দেওয়ার কারণে হতে পারে।

সোমবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মিসিং ডাইরি হওয়ার পর স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন যদি যথেষ্ট সচেষ্ট না হয়ে থাকে, কারও কোনও গাফিলতি থাকলে পুলিশ কর্মীকে দরজা দেখিয়ে দেব।’ মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘নির্যাতিতার বাবা যা যা চাইবেন মুখ্যমন্ত্রী সাধ্য অনুযায়ী তাঁকে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। ন্যায় বিচার পাবেন। ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের জন্য যা যা সুপারিশ করা দরকার রাজ্যের সরকার করবে।’

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande