
কলকাতা, ৬ জুলাই (হি.স.): প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা। তাঁর অভিযোগ, মমতার শাসনকালে মহিলাদের বিরুদ্ধে হিংসায় শীর্ষে ছিল পশ্চিমবঙ্গ। বারুইপুর যাওয়ার পথে তাঁকে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা, এরই প্রেক্ষিতে সোমবার রাহুল সিনহা বলেন, একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও ভারতে ধর্ষণ ও নারীর প্রতি হিংসার ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ শীর্ষে ছিল। যখনই এমন ঘটনা ঘটেছে, তখন সেই মহিলা মুখ্যমন্ত্রী—যিনি একসময় নিজেই এমন সব অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন—তিনি আক্রান্তের পাশে না দাঁড়িয়ে অপরাধীদের পক্ষ নিয়েছেন। আরজি করের 'অভয়া' মামলায় যারা ধর্ষণ ও হত্যার মতো অপরাধ করেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সক্রিয়ভাবে তাদের আড়াল করেছেন। এই ধরনের বিষয়ে কথা বলার কোনও নৈতিক অধিকার তাঁর নেই। তিনি কার্যত মহিলাদের প্রতি হিংসাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং তাঁর শাসনকালেই এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সারা দেশে শীর্ষে উঠে এসেছে।
বিজেপি সাংসদ রাহুল সিনহা আরও বলেছেন, “গত পঞ্চাশ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস, সিপিএম এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতায় দেখেছে। তারা বারবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামকে আড়ালে রাখার চেষ্টা করেছে। ঠিক এই কারণেই—২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির ক্ষেত্রে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, সেই সত্যকে ধামাচাপা দিতেই—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই দিনটিকে ‘খেলা হবে দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। আজ দেখুন কী খেলাটাই না হলো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ