
শিলিগুড়ি, ৬ জুলাই (হি.স.): উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার ফর ফ্লোরিকালচার অ্যান্ড এগ্রি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট’ (কোফাম) এবং ভারতীয় কিষাণ সংঘের যৌথ উদ্যোগে ‘খেত বাঁচাও অভিযান’-এর আওতায় সোমবার জৈব চাষের ওপর এক দিবসীয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈব কৃষির প্রসার ঘটানো এবং কৃষকদের টেকসই চাষবাসের বিষয়ে প্রশিক্ষিত করাই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মণ এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কৃষকরা এই প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেন এবং জৈব চাষের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য লাভ করেন।
আয়োজকদের মতে, কৃষকদের রাসায়নিক-মুক্ত কৃষি উৎপাদনে উৎসাহিত করা এবং সমাজে জৈব চাষের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই কর্মশালার প্রধান লক্ষ্য।
অন্যদিকে, কোফাম-এর সদস্যদের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, রাজ্য সরকারের ফুড প্রসেসিং ইউনিট (খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র) এবং হর্টিকালচার হাব (উদ্যানপালন কেন্দ্র) গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে মাথায় রেখেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মণ বলেন, ভারত একটি কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং কৃষিকে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে।
তিনি আরও বলেন, বাজেটেও কৃষি ক্ষেত্রকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি কৃষকদের জৈব চাষের পথ অনুসরণে অনুপ্রাণিত করবে, যা একটি টেকসই এবং নিরাপদ কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি