সেবাশ্রমের মেধাবী ছাত্রদের সংবর্ধনা, পাশে কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ
আগরতলা, ৬ জুলাই (হি.স.) : আর্থিক ও পারিবারিক প্রতিকূলতার মধ্যেও মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়া নীলা জ্যোতি সেবাশ্রমের ছাত্রদের সংবর্ধনা জানিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ । সোমবার বড়জলা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর
মেধাবী ছাত্রদের সংবর্ধনা


আগরতলা, ৬ জুলাই (হি.স.) : আর্থিক ও পারিবারিক প্রতিকূলতার মধ্যেও মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়া নীলা জ্যোতি সেবাশ্রমের ছাত্রদের সংবর্ধনা জানিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ । সোমবার বড়জলা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মধ্যভুবনবন এলাকার নীলা জ্যোতি সেবাশ্রমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সফল ছাত্রদের হাতে বিভিন্ন শিক্ষা-সামগ্রী ও উপহার তুলে দেন তিনি।

আশ্রম সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সেবাশ্রমের পাঁচজন ছাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন ৮৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। অন্য চারজনও ৫০ থেকে ৫২ শতাংশ নম্বর নিয়ে পরীক্ষায় পাশ করেছে। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও এই সাফল্য এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।

ছাত্রদের এই সাফল্যের খবর পেয়ে সোমবার সেবাশ্রমে পৌঁছান কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এলাকার সমাজসেবক রতন দাস এবং আশ্রম পরিচালন কমিটির সদস্যরা। অনুষ্ঠানে ৮৬ শতাংশ নম্বরপ্রাপ্ত ছাত্রকে একটি মোবাইল ফোন উপহার দেন মন্ত্রী। এছাড়াও মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ অপর চার ছাত্রের হাতে স্কুল ব্যাগ, অ্যালার্ম ক্লক, স্মারক, আম ও আনারস তুলে দিয়ে তাঁদের সম্মানিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বহু ছাত্রছাত্রী ভালো ফল করতে পারে না। কিন্তু নীলা জ্যোতি সেবাশ্রমের ছাত্ররা প্রতিকূল পরিবেশে থেকেও অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাঁদের এই সাফল্য অন্য ছাত্রছাত্রীদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, এই সংবর্ধনার মূল উদ্দেশ্য হল ছাত্রদের উৎসাহিত করা এবং তাঁদের ভবিষ্যতের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলা। আগামী বছরও যদি আশ্রমের ছাত্ররা ভালো ফলাফল করে, তবে তিনি নিজে আবার সেবাশ্রমে এসে তাঁদের সংবর্ধনা জানাবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।

মন্ত্রীের হাত থেকে সংবর্ধনা ও উপহার পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছাত্ররা। তাঁরা জানায়, এই সম্মান তাঁদের ভবিষ্যতে আরও ভালো পড়াশোনা করতে উৎসাহ জোগাবে।

অন্যদিকে, আশ্রম পরিচালন কমিটির সদস্যদের মতে, এ ধরনের স্বীকৃতি শুধু সফল ছাত্রদেরই নয়, আশ্রমের অন্যান্য আবাসিকদের মধ্যেও পড়াশোনার প্রতি নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং আগামী দিনে আরও ভালো ফল করতে অনুপ্রাণিত করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande