রাজ্যের শিল্পনীতি নিয়ে বিশেষ পরামর্শ বৈঠক, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে জোর ভারত চেম্বারের
কলকাতা, ১১ আগস্ট (হি.স.) : রাজ্যের শিল্পনীতির কাঠামো আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করতে মঙ্গলবার এক উচ্চপর্যায়ের পরামর্শ বৈঠকের আয়োজন করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের শীর্ষ মন্ত্রিগোষ্ঠী এবং প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। ভারত চ
রাজ্যের শিল্পনীতি নিয়ে বিশেষ পরামর্শ বৈঠক, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে জোর ভারত চেম্বারের


কলকাতা, ১১ আগস্ট (হি.স.) : রাজ্যের শিল্পনীতির কাঠামো আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় করতে মঙ্গলবার এক উচ্চপর্যায়ের পরামর্শ বৈঠকের আয়োজন করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের শীর্ষ মন্ত্রিগোষ্ঠী এবং প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। ভারত চেম্বার অফ কমার্সের পক্ষে বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন সভাপতি নরেশ পাচিসিয়া এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি রমেশ আগরওয়াল। পশ্চিমবঙ্গকে আরও প্রতিযোগিতামূলক, বিনিয়োগ বান্ধব এবং আন্তর্জাতিক শিল্প-মানচিত্রে শীর্ষস্থানে তুলে ধরতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পেশ করেন তাঁরা।

বৈঠকে ভারত চেম্বারের সভাপতি নরেশ পাচিসিয়া জোর দিয়ে বলেন, প্রতিযোগিতামূলক শিল্পনীতি, আন্তর্জাতিক মানের শিল্পকেন্দ্র এবং উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারলে রাজ্যের বিদ্যমান পুরনো শিল্পগুলির সম্প্রসারণ সহজ হবে। এর পাশাপাশি স্থানীয় মূল্যশৃঙ্খল শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি রাজ্যে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। তাঁর মতে, ‘ইজ় অফ ডুয়িং বিজ়নেস’ বা সহজে ব্যবসা করার পরিবেশ গড়ে তোলাকে কেবল নিয়মকানুন সরল করার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। দ্রুত ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক অনুমোদন, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ পরিষেবা, উন্নত যোগাযোগ ও লজিস্টিক ব্যবস্থা, স্বচ্ছ জমি-প্রশাসন এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও এর অন্যতম প্রধান অঙ্গ।

প্রচলিত মান্ধাতা আমলের শিল্পতালুকের বদলে বিশ্বমানের ‘ইন্টিগ্রেটেড ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব’ বা সমন্বিত শিল্পনগরী তৈরির প্রস্তাবও দেন তিনি। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা, ইস্পাত-ইঞ্জিনিয়ারিং, খেলনা, কৃষি-উপকরণ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং বস্ত্র ও পোশাক শিল্পক্ষেত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিশেষ 'শিল্পগুচ্ছ' গড়ে তোলার কথা বলেন। প্রতিরক্ষা শিল্পের ক্ষেত্রে বিশেষ ‘ডিফেন্স করিডর’ গড়ে তুলে সেখানে বড় শিল্প সংস্থা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, গবেষণা কেন্দ্র এবং দক্ষতা-প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে একই ছাতার তলায় আনার প্রস্তাব রাখেন পাচিসিয়া।

বৈঠকে আলোচনা শেষে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, বিভিন্ন চেম্বার থেকে প্রতিনিধি মনোনীত করার প্রক্রিয়া জোরদার করা হচ্ছে। প্রতিটি চেম্বার অফ কমার্স থেকে একজন করে প্রতিনিধিকে সরকারি ‘ফ্যাসিলিটেটর’ হিসাবে মনোনীত করা যেতে পারে, যাঁদের মূল দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলি থেকে যেকোনো প্রকল্পের দ্রুত অনুমোদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande