কাশী বিশ্বনাথ ধামে ভক্তির সঙ্গে দেশপ্রেমের মেলবন্ধন, তেরঙ্গায় সাজল বাবা বিশ্বনাথ
বারাণসী, ১৫ আগস্ট (হি.স.) : স্বাধীনতা দিবসের সকালে কাশীর রাস্তায় এক অন্য ছবি। একদিকে কাঁধে গঙ্গাজল নিয়ে ‘বোল বম’, ‘হর হর মহাদেব’-এর ধ্বনি, অন্যদিকে হাতে জাতীয় পতাকা—ভক্তি ও দেশপ্রেম যেন একই স্রোতে মিশে গেল বারাণসীতে। বাবা বিশ্বনাথের জলাভিষেক করতে আ
কাশী বিশ্বনাথ ধামে ভক্তির সঙ্গে দেশপ্রেমের মেলবন্ধন, তেরঙ্গায় সাজল বাবা বিশ্বনাথ


বারাণসী, ১৫ আগস্ট (হি.স.) : স্বাধীনতা দিবসের সকালে কাশীর রাস্তায় এক অন্য ছবি। একদিকে কাঁধে গঙ্গাজল নিয়ে ‘বোল বম’, ‘হর হর মহাদেব’-এর ধ্বনি, অন্যদিকে হাতে জাতীয় পতাকা—ভক্তি ও দেশপ্রেম যেন একই স্রোতে মিশে গেল বারাণসীতে। বাবা বিশ্বনাথের জলাভিষেক করতে আসা বহু কাঁওয়ারিয়া তেরঙ্গা পতাকা কাঁধের কাঁওয়ারে বেঁধে কিংবা হাতে নিয়ে মন্দিরের পথে এগিয়ে যান।

শহরের বাইরের রাস্তাতেও দেখা যায় একই আবহ। কাঁওয়ারিয়াদের একাধিক দল দেশাত্মবোধক গানের সঙ্গে নাচতে নাচতে এগিয়ে চলেন। কারও হাতে তেরঙ্গা ব্যান্ড, কারও কাঁওয়ারে জাতীয় পতাকা। ‘ভারত মাতা কি জয়’-এর স্লোগানের সঙ্গে ‘হর হর মহাদেব’ মিলিয়ে কাশীর পথ হয়ে ওঠে উৎসবের অংশ।

স্বাধীনতা দিবসের এই আবহ ছাপ ফেলেছে কাশী বিশ্বনাথ ধামেও। বিশেষ তেরঙ্গা সাজে সেজে ওঠেন বাবা শ্রী কাশী বিশ্বনাথ। কমলা, সাদা ও সবুজ ফুলে মন্দির চত্বরে ফুটিয়ে তোলা হয় জাতীয় পতাকার রং। ধামে থাকা ভারতমাতার মূর্তিও তেরঙ্গায় সাজানো হয়।

মঙ্গল আরতির পর দুপুরের ভোগ আরতির সময় ভক্তদের সামনে বিশেষ তেরঙ্গা সাজে বিশ্বেশ্বরের দর্শন মেলে। শিবভক্তদের ভিড়ে সেই দৃশ্য ঘিরে ছিল বিশেষ উৎসাহ। ধর্মীয় আচার, শিবের প্রতি আস্থা এবং দেশের প্রতি শ্রদ্ধা—স্বাধীনতার দিনে কাশী বিশ্বনাথ ধামে এই তিন আবেগই যেন পাশাপাশি জায়গা করে নেয়।

কাশীর চিরপরিচিত আধ্যাত্মিক পরিবেশে জাতীয় পতাকার রং যোগ করে স্বাধীনতা দিবসের সকালকে আরও আলাদা করে তুলল এই আয়োজন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande