নতুন দিল্লির সদর দফতরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন খাড়গের
নয়াদিল্লি, ১৫ আগস্ট (হি.স.): স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নতুন দিল্লির সদর দফতরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সংদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী, লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং অন্
নতুন দিল্লির সদর দফতরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন খাড়গের


নয়াদিল্লি, ১৫ আগস্ট (হি.স.): স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নতুন দিল্লির সদর দফতরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সংদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী, লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং অন্যান্যরা। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, নেহরুজি এক আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তিনি আইআইটি, আইআইএম ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নেহরুজি দেশের জন্য অনেক কিছু করেছেন, কিন্তু তাঁর মধ্যে কোনও অহংকার ছিল না।

খাড়গে আরও বলেন, শাস্ত্রীজি দেশে শ্বেত ও সবুজ বিপ্লবের ভিত্তি সুদৃঢ় করেছিলেন। ইন্দিরাজি ভারতের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা জোরদার করেছিলেন এবং বাংলাদেশের সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আমরাই সিকিমকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। এসব কিছুই কংগ্রেস দলের নেতারা করেছিলেন, অথচ লাল কেল্লা থেকে কেউ কেউ দাবি করেন যে সবকিছু তাঁরাই করেছেন। ভাগ্যিস তাঁরা এমনটা দাবি করেন না যে, পৃথিবীর যা কিছু অবশিষ্ট আছে, তা তাঁদের কারণেই টিকে আছে। মল্লিকার্জুন খাড়গে আরও বলেছেন, আমরা খাদ্য, শিক্ষা ও কাজের অধিকারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু বর্তমান সরকার এমন কোনও কাজ করেনি। তবুও কিছু মানুষের অভ্যাস হলো—যে কাজ তারা করেনি, তার কৃতিত্ব নিজেদের বলে দাবি করা। ইতিহাস সবকিছুরই হিসাব রাখে।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, এখন তরুণদের স্বপ্নকে পদদলিত করা হচ্ছে। দেশের যুবসমাজ আন্দোলন করছে এবং আমরা—আমাদের বিরোধী দলনেতা-সহ—তাদের সমর্থন জানাচ্ছি। সংবিধান প্রত্যেককে তাদের দাবির পক্ষে প্রতিবাদ করার অধিকার দিয়েছে; তারা দেশবিরোধী নন। যারা প্রতিবাদ করেন, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রচার চালানো হয়। আমাদের বিরোধী দলনেতা বহু বছর আগেই ঘোষণা করেছিলেন যে আমরা ঘৃণা ছড়াব না, বরং ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে দেব।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande