
চামোলি, ১৫ আগস্ট (হি.স.): উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার পিপলকোটিতে সুড়ঙ্গ ধসের ঘটনায় এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। শনিবার এই উদ্ধারকাজ তৃতীয় দিনে পড়েছে, শনিবার আরও একটি দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি দু'জন শ্রমিককে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মীয়মাণ টানেলে ধস নামে। এই ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। কমপক্ষে ১৯ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। তবে, দু'জনের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। আরও একটি দেহ উদ্ধারের পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেছেন, চামোলিতে নির্মীয়মান টিএইচডিসি সুড়ঙ্গে হঠাৎ করে ধস ও জলের তোড়ে ২২ জন শ্রমিক আটকে পড়েন, যারা সেই সময় সেখানে কর্মরত ছিলেন। এখনও পর্যন্ত উদ্ধার না হওয়া তিন ব্যক্তির সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ এবং উত্তরাখণ্ড সরকারের জেলা প্রশাসন-সহ সমস্ত সংস্থা পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং ভবিষ্যতে কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন তা নির্ধারণের জন্য আমি একটি ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। যে কোনও নির্মাণ প্রকল্পে কর্মরত কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত—তা যে মূল্যেই হোক না কেন। গতকালই আমি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছি।
চামোলির এডিএম বিবেক প্রকাশ বলেন, গত পরশু থেকে আমরা ২১ জনকে উদ্ধার করেছি এবং আরও তিনজন আটকে পড়েছিলেন। শনিবার আরও একটি মৃতদেহ উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গত পরশু থেকেই আমরা উদ্ধারকাজে নিয়োজিত আছি। ঘটনাস্থলে এসডিআরএফ, এনডিআরএফ এবং ডিডিআরএফ-এর দলও উপস্থিত রয়েছে। ভেতরে আরও দু'টি মৃতদেহ রয়েছে, যা আমরা উদ্ধার করব।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ