
আরামবাগ , ১৬ আগস্ট (হি.স.): চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড আরামবাগের একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে। ভাঙচুর চালানো হয় নার্সিং হোমে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
জানা গেছে, প্রায় ৯ দিন আগে আরামবাগের আড়ান্ডী ২ পঞ্চায়েতের পুরা এলাকার এক কিশোরী প্রিয়াঙ্কা পন্ডিত কীটনাশক ওষুধ খেয়ে আরামবাগের বসন্তপুর এলাকার একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে ভর্তি হয়।
অভিযোগ, ভর্তির কয়েকদিন পর থেকে ঠিক ভাবে আর চিকিৎসা হয়নি। এমনকি ডাক্তারদের পরিষেবাও ঠিক মতো দেয়নি বলে অভিযোগ। তার ফলেই রোগীর অবনতি হতে শুরু করে। রবিবার সকাল থেকে রোগীর আত্মীয়রা বারবার দেখা করতে চাইলেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। বিভিন্ন সময় আলাদা আলাদা করে তাদের রোগীর পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়।
তার জেরেই একপ্রকার বিভ্রান্ত হয়ে পরে রোগীর পরিজনরা। তার পরেই উত্তেজিত হয়ে প্রথমে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। পরে নার্সিং হোমের সামনে ভাঙচুর শুরু করে দেয়।
দফায় দফায় ভাংচুর চলে।পুলিশের সামনেও চলে ভাংচুর ক্ষোভ বিক্ষোভ।
তবে এবিষয়ে নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কোনো উত্তর মেলেনি।
যদিও খবর ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে আরামবাগ থানার পুলিশ। গোটা পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে আধিকারিকরা।এদিকে প্রশ্ন উঠেছে যে,যেখানে আরামবাগ শহরেই রয়েছে মেডিকেল কলেজ। সেখানে একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত এরকম একটি বেসরকারি নার্সিং হোম এই রোগীকে ভর্তি নিল।প্রশ্ন উঠেছে আরামবাগ শহরে নার্সিং হোম গুলির কোন নিয়ন্ত্রন নেই।অভিযোগ ওঠে যে, প্রায়শই চিকিৎসার গাফিলতির জেরে
নার্সিং হোম গুলিতে রোগীর মৃত্যু হয়।ক্ষোভ, বিক্ষোভ,ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA