২৫ আগস্ট 'গ্রিট অ্যান্ড গ্লোরি' বইটির উন্মোচন করবেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা
নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (হি.স.): রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের কাজের মাধ্যমে অসম-সহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের তথ্য প্রদানকারী ইংরেজি বই ''গ্রিট অ্যান্ড গ্লোরি''-র উন্মোচন হবে ২৫ আ


'গ্রিট অ্যান্ড গ্লোরি' বইটির উন্মোচন

 

নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (হি.স.): রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের কাজের মাধ্যমে অসম-সহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের তথ্য প্রদানকারী ইংরেজি বই 'গ্রিট অ্যান্ড গ্লোরি'-র উন্মোচন হবে ২৫ আগস্ট। সংঘের দিল্লির সদর দফতর কেশব কুঞ্জে বইটি উন্মোচিত হবে বলে জানা গেছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। আর পাঞ্চজন্য-র সম্পাদক হিতেশ শঙ্কর বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের মতে, ইংরেজিতে লেখা এই 'গ্রিট অ্যান্ড গ্লোরি' বইটির লেখক অভিজিৎ জোগ। বইটি সুরুচি প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে। হরিভাউ মিরাসদার ১৯৬৫ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত অসমের বিভিন্ন অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বইটির বিষয়বস্তু সংকলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি রাজ্যজুড়ে অন্তত ১৭৫ জন কার্যকর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করেছেন।

হরিভাউ মিরাসদার হিন্দুস্থান সমাচারকে জানিয়েছেন, এই বইটিতে সংঘ এবং এর বিভিন্ন সংগঠনের দ্বারা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কাজের মাধ্যমে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা রয়েছে। এর সঙ্গে এমন ৬২ জন কার্যকর্তার সাক্ষাৎকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যাঁরা অসমে সংঘের কাজ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। মিরাসদারের মতে, অসম সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংঘের কাজের মাধ্যমে আসা সাংস্কৃতিক পরিবর্তন এবং এতে কার্যকর্তাদের অবদান নিয়ে কোনও প্রামাণ্য বই ছিল না। এই বইটি সেই শূন্যতা পূরণের একটি প্রচেষ্টা। এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে যে, অসম ও অন্যান্য অঞ্চলে আরএসএস-এর কাজের প্রসারের পর এই অঞ্চলে কীভাবে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ঘটেছে এবং কোন কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি এতে অবদান রেখেছেন।

উল্লেখ্য, এই বইটি ইংরেজির পর মারাঠি, হিন্দি এবং অসমিয়া ভাষাতেও শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande