মালিগাঁওয়ে শুরু ৭২তম অল ইন্ডিয়া ইন্টার রেলওয়ে টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ
গুয়াহাটি, ৪ আগস্ট (হি.স.) : উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের উদ্যোগে এবং এন.এফ. রেলওয়ে স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এনএফআরএসএ) ব্যবস্থাপনায় সোমবার থেকে মালিগাঁওয়ের এনএফআরএসএ ইনডোর স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে ৭২তম অল ইন্ডিয়া ইন্টার রেলওয়ে টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ
72nd All India Inter-Railway Table Tennis Championship begins in Maligaon.


গুয়াহাটি, ৪ আগস্ট (হি.স.) : উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের উদ্যোগে এবং এন.এফ. রেলওয়ে স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এনএফআরএসএ) ব্যবস্থাপনায় সোমবার থেকে মালিগাঁওয়ের এনএফআরএসএ ইনডোর স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে ৭২তম অল ইন্ডিয়া ইন্টার রেলওয়ে টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ (পুরুষ ও মহিলা) ২০২৬-২৭। আগামী ৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে পাঁচ দিনব্যাপী এই জাতীয় প্রতিযোগিতা।

ভারতীয় রেলওয়ের বিভিন্ন জোনাল রেলওয়ে ও প্রোডাকশন ইউনিটের প্রতিনিধিত্বকারী সেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ৬৫ জন পুরুষ ও ৩১ জন মহিলা খেলোয়াড়। এছাড়া প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য রেলওয়ে বোর্ডের মনোনীত ১৭ জন রেফারি, দুইজন নির্বাচক এবং একজন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন।

চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষ ও মহিলা—উভয় বিভাগেই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খেলোয়াড়রা শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন। আয়োজকদের মতে, এই প্রতিযোগিতা ভারতীয় রেলওয়ের ক্রীড়া-সংস্কৃতি, দলগত চেতনা এবং ক্রীড়া উৎকর্ষের প্রতি অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক রমেশ কুমার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী দলগুলির পরিচিতি পর্বের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে এনএফআরএসএ-র সভাপতির স্বাগত ভাষণ, পতাকা উত্তোলন, রেলওয়ে বোর্ডের কর্মকর্তাদের পরিচয়পর্ব, প্রধান অতিথির বক্তব্য, সংবর্ধনা এবং চ্যাম্পিয়নশিপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে জানায়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রেলওয়ের ক্রীড়াবিদদের সাফল্যের জন্য উন্নত ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানে তারা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ, সুস্থ ক্রীড়া সংস্কৃতির প্রসার এবং দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা দাস




 

 rajesh pande