(আপডেট) রাজ্যেই কর্মসংস্থানের হবে, ভিনরাজ্যে যেতে হবে না পরিযায়ী শ্রমিকদের, ভরসা দিলেন মন্ত্রী দিলিপ ঘোষ
সোনারপুর, ৪ আগস্ট (হি. স.): সুন্দরবনের মানুষকে আর কাজের জন্য ভিনরাজ্যে ছুটতে হবে না। নিজের মাটিতেই কর্মসংস্থান হবে। মঙ্গলবার সোনারপুরের জয়হিন্দ অডিটোরিয়ামে দুই ২৪ পরগনার পঞ্চায়েত আধিকারিকদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্
(আপডেট) রাজ্যেই কর্মসংস্থানের হবে, ভিনরাজ্যে যেতে হবে না পরিযায়ী শ্রমিকদের, ভরসা দিলেন মন্ত্রী দিলিপ ঘোষ


সোনারপুর, ৪ আগস্ট (হি. স.): সুন্দরবনের মানুষকে আর কাজের জন্য ভিনরাজ্যে ছুটতে হবে না। নিজের মাটিতেই কর্মসংস্থান হবে। মঙ্গলবার সোনারপুরের জয়হিন্দ অডিটোরিয়ামে দুই ২৪ পরগনার পঞ্চায়েত আধিকারিকদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি পঞ্চায়েতের মাধ্যমে যাতে এলাকার মানুষ ১২৫ দিনের কাজ স্বচ্ছ ভাবে পান তার সমস্ত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।

নদী-জঙ্গল-খাঁড়িতে ঘেরা সুন্দরবন। ৩০-র বেশি পঞ্চায়েত। নৌকাই এখানে যোগাযোগের মূল ভরসা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়ে ফি বছর জীবিকা হারিয়ে হাজার হাজার এলাকাবাসী কাজের খোঁজে পাড়ি দেন ভিনরাজ্যে। সেই ছবিটাই বদলাতে চাইছে বর্তমান সরকার জানান মন্ত্রী।

এদিনের বৈঠকে আবাস যোজনার সমীক্ষা নিয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রী জানান, ভৌগোলিক কারণে এখনও অনেক এলাকায় সমীক্ষা শেষ হয়নি। তবে আগামী ৩১ অগাস্টের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি। স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ হলে কেন্দ্রের বন্ধ থাকা টাকাও ফের মিলবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা কমাতেই পঞ্চায়েতের মাধ্যমে বহু উন্নয়নমূলক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান পঞ্চায়েত মন্ত্রী। রাস্তা, পানীয় জল, আবাসন, যোগাযোগ সব ক্ষেত্রেই কাজ হবে। দক্ষ-অদক্ষ সব ধরনের শ্রমিকের কাজের সুযোগ থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের কাজ ১২৫ দিন করা হয়েছে। এর ফলে গ্রামের মানুষের হাতে কাজ ও টাকা দুটোই আসবে বলে দাবি করেন মন্ত্রী।

এদিনের বৈঠকে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত দ্বীপগুলিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কারণ দুর্যোগের ধাক্কা সবচেয়ে বেশি লাগে ওইসব এলাকাতেই। পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও দ্রুত পরিষেবামুখী করার উপরেও জোর দেন তিনি। বৈঠকের শেষে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার আধিকারিকদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন মন্ত্রী। কোথায় কী সমস্যা, তা দ্রুত মেটানোর নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, “ পঞ্চায়েতের প্রধান না থাকলেও কাজ আটকাবে না। কিভাবে কাজ করতে হবে সেই ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েত কর্মীদের। কাজ সাবলীলভাবে হবে।” তিনি আরও বলেন, “কর্মীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ আরও দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে করতে হবে। পাশাপাশি জেলায় জেলায় 'পঞ্চ সম্মেলন' করে জনপ্রতিনিধিদের নতুন নিয়ম বোঝানো হচ্ছে।”

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande