দেউলটি স্টেশনের নাম শরৎচন্দ্রের নামে করার উদ্যোগ, রেলমন্ত্রকের দ্বারস্থ আমতার বিধায়ক
হাওড়া, ৪ আগস্ট (হি. স.): বাংলা সাহিত্যের কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত দেউলটি স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার দাবি দীর্ঘদিনের। মঙ্গলবার সেই দাবিকে সামনে রেখে উদ্যোগী হলেন আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত। বিষয়টি রেল দফতরের নজরে আনতে ইতিম
দেউলটি


হাওড়া, ৪ আগস্ট (হি. স.): বাংলা সাহিত্যের কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত দেউলটি স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার দাবি দীর্ঘদিনের। মঙ্গলবার সেই দাবিকে সামনে রেখে উদ্যোগী হলেন আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত। বিষয়টি রেল দফতরের নজরে আনতে ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জীবনের শেষ প্রায় ১৫ বছর হাওড়ার সামতায় কাটিয়েছিলেন। রূপনারায়ণ নদের তীরে নিজের হাতে তৈরি বাড়িতে বসেই তিনি একাধিক কালজয়ী গল্প ও উপন্যাস রচনা করেন। ‘রামের সুমতি’, ‘বিপ্রদাস’, ‘মেজদিদি’-সহ তাঁর বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সামতার বাড়ির স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।

সামতা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের দেউলটি স্টেশন। যাতায়াতের সময় শরৎচন্দ্র এই স্টেশন ব্যবহার করতেন বলেও জানা যায়। ফলে স্টেশনটির সঙ্গে কথাশিল্পীর স্মৃতির একটি নিবিড় যোগ রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে আমতা ও বাগনান এলাকার মানুষের দাবি, দেউলটি স্টেশনের নাম শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে করা হোক। কথাশিল্পীর নামে ‘শরৎ গ্রাম পঞ্চায়েত’ও রয়েছে। সেই আবেগকে গুরুত্ব দিয়েই এবার রেলমন্ত্রকের কাছে প্রস্তাব পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছেন বিধায়ক।

বিধায়কের এই উদ্যোগে খুশি শরৎচন্দ্র-অনুরাগী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, রেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande