বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হচ্ছেন কানহাইয়া লাল আগরওয়াল, বিরোধী বিধায়ককে দায়িত্ব দিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত
কলকাতা, ৪ আগস্ট (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সচিবালয় সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টেস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যান পদের জন্য বিরোধী বিধায়ক কানহাইয়া লাল আগরওয়ালের নাম চূড়ান্ত করেছে। মঙ্গলবার বিধানসভা সূত্রে জানা গিয়েছ
বিধায়ক কানহাইয়া লাল আগরওয়াল


কলকাতা, ৪ আগস্ট (হি. স.) :

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সচিবালয় সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টেস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যান পদের জন্য বিরোধী বিধায়ক কানহাইয়া লাল আগরওয়ালের নাম চূড়ান্ত করেছে। মঙ্গলবার বিধানসভা সূত্রে জানা গিয়েছে যে, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের বিধায়ক কানহাইয়া লাল আগরওয়ালকে পিএসি-র চেয়ারম্যান করা হবে।

কানহাইয়া লাল আগরওয়াল সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ইসলামপুর আসন থেকে জয়লাভ করেছিলেন। পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ মতভেদ ও বিভাজনের পর তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিরোধী গোষ্ঠীতে যোগ দেন।

বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টেস কমিটিতে মোট ২০ জন সদস্য রয়েছেন, যার মধ্যে ১৪ জন শাসক দল বিজেপির এবং ৬ জন বিরোধী দলের। কানহাইয়া লাল আগরওয়াল এই ছয়জন বিরোধী সদস্যের অন্যতম।

বিধানসভার মোট ৪১টি কমিটির মধ্যে ১০টি কমিটির নেতৃত্ব বিরোধীদের দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শাসক দল বিজেপি। এর মধ্যে একটি কমিটির চেয়ারম্যান পদ ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে দেওয়া হবে, আর বাকি নয়টি কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় গোষ্ঠীর বিধায়কদের। বিধানসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কালীঘাট তৃণমূল শিবিরের বিধায়কদের বিভিন্ন কমিটির সদস্য করা হলেও তাঁদের কোনো কমিটির চেয়ারম্যান করা হবে না।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পিএসি চেয়ারম্যান হিসেবে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কোনো বিধায়কের পরিবর্তে বিরোধী শিবিরের কানহাইয়া লাল আগরওয়ালকে বেছে নেওয়া বিধানসভার ভেতরের সমীকরণের পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দেয়।

উল্লেখযোগ্য যে, এবার বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু, মুখ্য সচেতক অম্লান ভাদুড়ী এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ—সকলেই উত্তরবঙ্গের। এখন কানহাইয়া লাল আগরওয়াল পিএসি চেয়ারম্যান হওয়ায় বিধানসভার গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলিতে উত্তরবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande