সংগঠনকে চাঙ্গা করতে জেলা ভিত্তিক প্রশিক্ষণে নামছে ত্রিপুরা বিজেপি
আগরতলা, ৪ আগস্ট (হি.স.) : সংগঠনকে তৃণমূল স্তর থেকে আরও শক্তিশালী ও দক্ষ করে তুলতে আগামীকাল (৫ আগস্ট) থেকে ত্রিপুরায় শুরু হচ্ছে বিজেপি-র জেলা ভিত্তিক দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান। পর্যায়ক্রমে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যের সব সাংগঠনিক জেলায়
সাংবাদিক সম্মেলন


আগরতলা, ৪ আগস্ট (হি.স.) : সংগঠনকে তৃণমূল স্তর থেকে আরও শক্তিশালী ও দক্ষ করে তুলতে আগামীকাল (৫ আগস্ট) থেকে ত্রিপুরায় শুরু হচ্ছে বিজেপি-র জেলা ভিত্তিক দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান। পর্যায়ক্রমে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যের সব সাংগঠনিক জেলায় এই আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান দলের ত্রিপুরা প্রদেশের মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী।

তিনি জানান, দেশব্যাপী বিজেপি-র সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে তৃণমূল স্তরের কর্মীদের আদর্শগত, সাংগঠনিক ও নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই প্রশিক্ষণ মহা অভিযানের আয়োজন করা হয়েছে। ত্রিপুরায় ইতিমধ্যেই ৫৫টি মণ্ডলে মণ্ডলভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এবার শুরু হচ্ছে জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ।

প্রথম পর্যায়ে ৫ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত গোমতী, দক্ষিণ জেলা এবং সিপাহীজলা সাউথ—এই তিনটি সাংগঠনিক জেলায় একযোগে দুই রাত ও তিন দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে ৮ আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত সদর গ্রামীণ, সদর শহর এবং সিপাহীজলা নর্থ সাংগঠনিক জেলায় প্রশিক্ষণ চলবে। এরপর তৃতীয় ও শেষ পর্যায়ে ১১ আগস্ট থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ঊনকোটি, উত্তর ত্রিপুরা, খোয়াই এবং ধলাই সাংগঠনিক জেলায় এই কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।

সুব্রত চক্রবর্তী জানান, জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণে মোট ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর বিশদ আলোচনা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, আদর্শ, দলের কার্যপদ্ধতি, জনসংযোগ, নেতৃত্ব বিকাশসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নেতারা কর্মীদের দিকনির্দেশনা দেবেন।

তিনি আরও জানান, জেলা পর্যায়ের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিজেপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা ও সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্তরা উপস্থিত থাকবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপি-র ত্রিপুরা প্রভারী ডাঃ রাজদীপ রায়, সংগঠন মহামন্ত্রী রবীন্দ্র রাজু, গুরু প্রকাশ পাসোয়ান, রাজকুমার শর্মা এবং হিমন্ত গোস্বামী।

মণ্ডল পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রায় ৯০ শতাংশ উপস্থিতি ছিল বলেও দাবি করেন সুব্রত চক্রবর্তী। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেও ব্যাপক সাফল্য মিলবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

দলের দাবি, এই প্রশিক্ষণ মহা অভিযানের মাধ্যমে কর্মীদের সাংগঠনিক দক্ষতা ও আদর্শগত ভিত্তি আরও মজবুত হবে, যা আগামী দিনে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande