শূন্যপদে নিয়োগ-সহ একাধিক দাবিতে ঝাড়গ্রাম জেলা আদালতে কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও প্রতীকী অনশন
ঝাড়গ্রাম, ৫ আগস্ট (হি. স.): ঝাড়গ্রাম জেলা আদালতে শূন্যপদে নিয়োগ, আদালতের পরিকাঠামোর উন্নয়ন-সহ একাধিক দাবিতে বুধবার আন্দোলনে নামলেন আদালতের কর্মচারীরা। পশ্চিমবঙ্গ আদালত কর্মচারী সমিতির ঝাড়গ্রাম জেলা কমিটির ডাকে এদিন দু''ঘণ্টার প্রতীকী কর্মবিরতি
শূন্যপদে নিয়োগ-সহ একাধিক দাবিতে ঝাড়গ্রাম জেলা আদালতে কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও প্রতীকী অনশন


ঝাড়গ্রাম, ৫ আগস্ট (হি. স.): ঝাড়গ্রাম জেলা আদালতে শূন্যপদে নিয়োগ, আদালতের পরিকাঠামোর উন্নয়ন-সহ একাধিক দাবিতে বুধবার আন্দোলনে নামলেন আদালতের কর্মচারীরা। পশ্চিমবঙ্গ আদালত কর্মচারী সমিতির ঝাড়গ্রাম জেলা কমিটির ডাকে এদিন দু'ঘণ্টার প্রতীকী কর্মবিরতির পাশাপাশি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাত ঘণ্টার প্রতীকী অনশন পালন করা হয়। কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন আদালতের কর্মচারীরা অংশ নেন।

কর্মচারীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে দীর্ঘদিন ধরে সেরেস্তাদারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। তিন বছর আগে পদ অনুমোদন হলেও এখনও নিয়োগ করা হয়নি। এছাড়া প্রায় দু'বছর আগে ফ্যামিলি কোর্ট চালু হলেও সেখানে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ না হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে বিচারপ্রার্থীদের বারবার নতুন তারিখ নিয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে দাবি তাঁদের।

তাঁদের আরও অভিযোগ, নতুন জেলা আদালত ভবনে কাজের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও সেই অনুপাতে কর্মী বাড়ানো হয়নি। পাশাপাশি, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া প্রাক্তন ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে দীর্ঘ ১৯-২০ বছর ধরে কর্মরত কর্মীদের স্থায়ীকরণের দাবিও তোলা হয়েছে।

সমিতির জেলা সম্পাদক সুদীপ্ত সরেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে এবং একাধিক বৈঠকে সমস্যাগুলির কথা জানানো হলেও কোনও সমাধান হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলনের পথে নামতে হয়েছে। তাঁর দাবি, এই আন্দোলন শুধু আদালত কর্মচারীদের স্বার্থে নয়, বিচারপ্রার্থীদের স্বার্থেও।

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্মবিরতির সময় কিছু প্রশাসনিক কাজের গতি কমলেও বিচারকাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে দ্রুত দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ আদালত কর্মচারী সমিতি।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande