পড়ুয়া-শিক্ষক অনুপাত, সমতা আনার চেষ্টার প্রথম পর্যায়েই হোঁচট খেল রাজ্য
কলকাতা, ৫ আগস্ট (হি.স.): ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী প্রতি ৩০ জন পড়ুয়ার জন্য ১ জন করে শিক্ষক থাকাকে আদর্শ অনুপাত হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু রাজ্যের বহু প্রাথমিক স্কুলেই ছাত্র-শিক্ষকের সেই আদর্শ অনুপাত নেই। এ ব্যাপারে সমতা আনার চেষ্টার প্রথম প
পড়ুয়া-শিক্ষক অনুপাত, সমতা আনার চেষ্টার প্রথম পর্যায়েই হোঁচট খেল রাজ্য


কলকাতা, ৫ আগস্ট (হি.স.): ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী প্রতি ৩০ জন পড়ুয়ার জন্য ১ জন করে শিক্ষক থাকাকে আদর্শ অনুপাত হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু রাজ্যের বহু প্রাথমিক স্কুলেই ছাত্র-শিক্ষকের সেই আদর্শ অনুপাত নেই। এ ব্যাপারে সমতা আনার চেষ্টার প্রথম পর্পায়েই হোঁচট খেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের এখনই ‘উদ্বূত্তদের’ বদলি করা যাবে না। বুধবার এক অন্তর্বর্তী নির্দেশে তা জানিয়ে দিল হাই কোর্ট। পালাবদলের পরে নতুন সরকার স্কুলগুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে ভারসাম্য আনতে উদ্বৃত্ত বদলির সিদ্ধান্ত নেয়।

সম্প্রতি ‘উদ্বূত্তদের’ বদলির বিষয়ে নতুন আদর্শ কার্যপদ্ধতি (এসওপি) তৈরি করে রাজ্য সরকার। সেই অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারে সরকার। শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা বদলির আবেদনও জমা করতে পারবেন। তবে তার ভিত্তিতে কাউকে এখনই বদলি করা যাবে না বলে জানিয়েছেন বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েক। আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

প্রসঙ্গত, কোথাও ছাত্রের তুলনায় শিক্ষকের সংখ্যা বেশি। আবার কোথাও ছাত্রের সংখ্যা বেশি, কিন্তু শিক্ষক সেই তুলনায় কম। পূর্বতন সরকারের আমল থেকেই এই সমস্যা চলে আসছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande