সুন্দরবন জেলা গঠনের প্রস্তুতি শুরু, ক্যানিংয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা
ক্যানিং, ৫ আগস্ট (হি. স.): সুন্দরবনকে পৃথক জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশাসনিক তৎপরতা আরও জোরদার হল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর এবার সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বুধবার ক্যানিং মহকুমাশাসকের দফতরে বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে গুরু
সুন্দরবন জেলা গঠনের প্রস্তুতি শুরু, ক্যানিংয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা


ক্যানিং, ৫ আগস্ট (হি. স.): সুন্দরবনকে পৃথক জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশাসনিক তৎপরতা আরও জোরদার হল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর এবার সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বুধবার ক্যানিং মহকুমাশাসকের দফতরে বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন সুন্দরবন উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং মহকুমাশাসক, মহকুমার চারটি ব্লকের বিডিও, সুন্দরবন উন্নয়ন দফতর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর, বন দফতর-সহ একাধিক সরকারি বিভাগের আধিকারিকরা। বৈঠকে সুন্দরবনের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি, জমি সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেন, দীর্ঘদিন ধরে যে সমস্ত উন্নয়নমূলক প্রকল্প বিভিন্ন কারণে আটকে রয়েছে, সেগুলি দ্রুত চিহ্নিত করে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সুন্দরবন উন্নয়ন দফতরকে প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশও দেন তিনি।

এদিন মৎস্যজীবীদের বহুদিনের দাবি বিএলসি বা মাছ ধরার অনুমতিপত্র সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রশাসনিক স্তরে বিষয়টির সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন মন্ত্রী, যা উপস্থিত মৎস্যজীবীদের কাছে স্বস্তির বার্তা হিসেবে ধরা পড়ে।

জমি সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়েও প্রশাসনকে কড়া বার্তা দেন দীপঙ্কর জানা। তিনি জানান, কোনও অভিযোগ জমা পড়লে তা দ্রুত তদন্ত করে নিরপেক্ষভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে। সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই সুন্দরবনের প্রতিটি মহকুমা ও ব্লকে প্রশাসনিক বৈঠক করা হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের রূপরেখা তৈরি করাই এই বৈঠকগুলির মূল উদ্দেশ্য। তবে পৃথক সুন্দরবন জেলার সদর দফতর কোথায় হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্তের কথা তাঁর জানা নেই বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরই যথাসময়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande