(আপডেট) রাজ্য ও কেন্দ্রের যৌথ প্রচেষ্টায় পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়নে নতুন গতি পাবে: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
কলকাতা, ৬ আগস্ট (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাজ্য ও কেন্দ্রের যৌথ প্রচেষ্টায় পশ্চিমবঙ্গের শিল্পোন্নয়ন এক নতুন গতি পাবে। বৃহস্পতিবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত বস্ত্র মেলার (টেক্সটাইল ফেয়ার) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে
শুভেন্দু অধিকারী


কলকাতা, ৬ আগস্ট (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাজ্য ও কেন্দ্রের যৌথ প্রচেষ্টায় পশ্চিমবঙ্গের শিল্পোন্নয়ন এক নতুন গতি পাবে। বৃহস্পতিবার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত বস্ত্র মেলার (টেক্সটাইল ফেয়ার) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সম্প্রতি নতুন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে নিজের বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী রাজ্যের বস্ত্র ও চা শিল্পের প্রসারে বিশেষ আগ্রহী এবং এই ক্ষেত্রদুটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সম্ভাব্য সমস্ত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বৈঠকে সীতারামন পশ্চিমবঙ্গের তাঁতিদের তৈরি উচ্চমানের বস্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং এই শিল্পের বিকাশে বিপুল সম্ভাবনার কথা ব্যক্ত করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ২৪ থেকে ২৮ আগস্টের মধ্যে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় বস্ত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর একটি বৈঠকের আয়োজন করার চেষ্টা করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত প্রায় ৫০ বছরে বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়নের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছিল, কিন্তু এখন ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নেতৃত্বে রাজ্য দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। তিনি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনও আপস করা হবে না এবং শিল্পের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

শিল্পপতিদের বাংলায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে অধিকারী বলেন, বাংলায় দক্ষ মানবসম্পদ, মেধা এবং শিল্পোন্নয়নের পর্যাপ্ত সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানান, রাজ্যে কোনও ধরনের তোলাবাজি বা 'কাটমানি' বরদাস্ত করা হবে না। সেই সঙ্গে কার্যকর সিঙ্গল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থা ও সুস্পষ্ট ভূমি নীতি প্রয়োগের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, বস্ত্র মেলায় প্রায় ২০০টি স্টল দেওয়া হয়েছে এবং এই আয়োজন থেকে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আগামী এক মাসের মধ্যে প্রায় ২৫ জন শিল্পপতিকে শিল্প প্রকল্পের জন্য জমিও বণ্টন করা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande