(আপডেট) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা অনেক সম্মান করি: ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
ঢাকা, ৯ আগস্ট (হি.স.): ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সবাই অনেক সম্মান করি। আমি অনেকবার তাঁর বক্তৃতা শুনেছি। তিনি একজন জনবান্ধব ব্যক্তি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও জনবান্ধব ব্যক্তি। রবিবার দুপুর
শিশুকর্নারটির শুভ উদ্বোধনে দীনেশ ত্রিবেদী


ঢাকা, ৯ আগস্ট (হি.স.): ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সবাই অনেক সম্মান করি। আমি অনেকবার তাঁর বক্তৃতা শুনেছি। তিনি একজন জনবান্ধব ব্যক্তি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও জনবান্ধব ব্যক্তি।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (আইভেক) শিশুদের একটি খেলার জায়গা উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী এই মন্তব্য করেন।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সোমবার, ১০ আগস্ট। ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে ঢাকায় দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর এটিই হতে চলেছে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাৎ।

সোমবারের নির্ধারিত সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে দীনেশ ত্রিবেদী জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তাঁরা অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হলে দুই দেশের বহু অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান সম্ভব।

তিনি উল্লেখ করেন, সমস্যার সমাধান তখনই হয়, যখন আমরা পরস্পরের সঙ্গে কথাবার্তা বলি।

ভারতীয় হাইকমিশনার আরও যোগ করেন, আমার বিশ্বাস, দুই নেতার আলোচনা হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আমার তো পুরো বিশ্বাস যে দুই দেশের মানুষ এক ও অভিন্ন। সমাধান অবশ্যই হবে। এখানে কোনো নেতিবাচক কিছু নেই, সবটাই ইতিবাচক।

এদিকে, ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে প্রথম পরিদর্শনের সময় এক মায়ের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই নতুন উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়। ভিসা আবেদনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার সময় শিশুরা যাতে নিরাপদে সময় কাটাতে পারে, সেজন্য ওই মা একটি শিশুবান্ধব খেলার জায়গা তৈরির আবেদন জানান। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে ভারতীয় হাই কমিশন। রবিবার ওই মা তাঁর সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিজের কল্পনার সেই শিশুকর্নারটির উদ্বোধন করেন।

হাই কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, এটি ক্ষুদ্র একটি পদক্ষেপ হলেও এর পেছনে একটি বড় বার্তা রয়েছে—ভারত দেওয়া কথা ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। সাধারণ মানুষকে কেন্দ্র করে নেওয়া এই উদ্যোগগুলিই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে দিন দিন আরও প্রাণবন্ত ও মজবুত করে তুলছে ।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande