জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মান সহ্য করা হবে না : জে পি নাড্ডা
জয়পুর, ৯ আগস্ট (হি.স.): রাজস্থানের জয়পুরে ''হর ঘর তিরঙ্গা'' প্রচারাভিযানের অধীনে ''বিশাল তিরঙ্গা র্যালি''র উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নাড্ডা বলেন, আমাদের জাতীয়
জে পি নাড্ডা


জয়পুর, ৯ আগস্ট (হি.স.): রাজস্থানের জয়পুরে 'হর ঘর তিরঙ্গা' প্রচারাভিযানের অধীনে 'বিশাল তিরঙ্গা র্যালি'র উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নাড্ডা বলেন, আমাদের জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মান সহ্য করা হবে না; এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। ১৯৫৫ সালেই এ কথা বলা হয়েছিল। অথচ, অজানা কারণে, জাতীয় সঙ্গীত, সংবিধান এবং জাতীয় পতাকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও 'বন্দে মাতরম'-কে জাতীয় স্তোত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। একে কি আমি কোনও ভুল-ত্রুটি হিসেবে দেখব, নাকি তোষণনীতি হিসেবে? নিঃসন্দেহে তোষণনীতি এবং ভোট-ব্যাঙ্ক রাজনীতি এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছিল। কারণ যা-ই হোক, এখন আমরা এ কথা জোর দিয়ে বলতে পারি, 'জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধনী) আইন' কার্যকর হওয়ার পর জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় স্তোত্র, জাতীয় পতাকা বা সংবিধানের প্রতি কেউ আর অসম্মান প্রদর্শন করতে পারবে না। এগুলিই আমাদের ভারতের গর্ব।

নাড্ডা আরও বলেন, ভারতমাতাকে যারা স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ভারতীয় গণতন্ত্রকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে পরিণত করার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ‘তিরঙ্গা যাত্রা’ ১৪০ কোটি দেশবাসীকে নতুন দিশা প্রদান করবে। নাড্ডা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে, দাসত্বের উত্তরাধিকার থেকে বেরিয়ে এসে ভারত আত্মসম্মান ও ভারতীয়করণের পথে এগিয়ে চলেছে। রাজপথ থেকে কর্তব্য পথ, মুঘল গার্ডেনস থেকে অমৃত উদ্যান এবং ইন্ডিয়া গেটে সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি—এই পরিবর্তনগুলি এক নতুন ভারতের পরিচিতি এবং তার ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোরই প্রতিফলন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande