(আপডেট) নেপালে বিপর্যয়ে মৃত্যু বেড়ে ৯৮৭ , চলছে উদ্ধারকাজ
কাঠমান্ডু ও নয়াদিল্লি, ১ সেপ্টেম্বর (হি.স.): হড়পা বান বিপর্যয়ের পর ৬ দিন কেটে গিয়েছে। হাজারো বাধা-বিঘ্ন কাটিয়ে নেপালে চলছে উদ্ধারকাজ। প্রাণের সন্ধানের আশায় বিপর্যস্ত-দুর্গম এলাকায় অনুসন্ধান চালাচ্ছে বিভিন্ন দল। তবে দিন যত গড়াচ্ছে উদ্বেগ, দুশ্চিন্ত
নেপালে বিপর্যয়ে মৃত্যু বেড়ে ৯৮৭, চলছে উদ্ধারকাজ


কাঠমান্ডু ও নয়াদিল্লি, ১ সেপ্টেম্বর (হি.স.): হড়পা বান বিপর্যয়ের পর ৬ দিন কেটে গিয়েছে। হাজারো বাধা-বিঘ্ন কাটিয়ে নেপালে চলছে উদ্ধারকাজ। প্রাণের সন্ধানের আশায় বিপর্যস্ত-দুর্গম এলাকায় অনুসন্ধান চালাচ্ছে বিভিন্ন দল। তবে দিন যত গড়াচ্ছে উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা ততই বাড়ছে। বিভিন্ন সুড়ঙ্গের মধ্যে নিখোঁজদের অনুসন্ধান চলছে। তেমনই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে কর্মরত শ্রমিকদের খোঁজে ড্রোন দিয়ে তল্লাশি চালিয়েও কারও সন্ধান মেলেনি। নেপালে বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ৯৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, এছাড়াও ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ। মঙ্গলবার উদ্ধারকারী দল আরও বেশ কয়েকটি দেহ উদ্ধার করেন। প্রবল বৃষ্টির ফলে ব্যহত হচ্ছে আটকে পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে আসার কাজ। বিভিন্ন জেলায় নদীতে জলস্তর বাড়ার কারণে নতুন করে হড়পা বানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ৫৮৩ জন বিদেশী নাগরিক সহ এখনও অন্তত চার হাজার মানুষের কোনও সন্ধান নেই। উদ্ধার করা হয়েছে ১২ হাজার দুর্গতকে।

এদিকে, নেপালি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ভারতের কারিগরি উদ্ধারকারী দল নেপালের রাসুয়ার চিলিমে ও লাংটাং—উভয় স্থানেই নিজেদের উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেছে। চিলিমে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং দুর্গম পরিস্থিতির মধ্যেও সফলভাবে সুড়ঙ্গে অনুসন্ধান চালানো হয়। অন্যদিকে লাংটাংয়ে নেপালি সেনার সহায়তায় ভারতীয় কারিগরি দল সুড়ঙ্গের ভেতরে ১৮৫ মিটার গভীরতা পর্যন্ত অনুসন্ধান চালাতে সক্ষম হয়েছে। এই অভিযান মঙ্গলবারও অব্যাহত ছিল। এরই মধ্যে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত নুয়াকোটের বিদুরে অবস্থিত নেপালি সেনা ঘাঁটি পরিদর্শন করেন।

নেপালে হড়পা বানে নিহত ভারতীয় পর্যটকদের দেহ যথাযথ প্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে নিকটাত্মীয়দের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে। দূতাবাস জানিয়েছে, মৃতদেহ হস্তান্তরের আগে ময়নাতদন্ত, পরিচয়পত্র যাচাই, আঙ্গুলের ছাপ ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ সহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। নেপাল পুলিশ প্রকাশিত ছবি ও বিবরণ দেখে পরিবারের সদস্যরা মৃতদেহ শনাক্ত করতে পারলে, দূতাবাস স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশে দেহ ফেরানোর ব্যবস্থা করবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande