নেপালে অর্থ অভাবে হাসপাতালে ঠাঁই না পেয়ে ফুটপাথে প্রসব
কাঠমান্ডু, ১০ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : টাকা না থাকায় হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেননি এক প্রসূতি। শেষ পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালের সামনেই ফুটপাথে সন্তানের জন্ম দিতে বাধ্য হলেন নেপালের রাজবিরাজের এক মহিলা। পরিবারের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষার টাকা দিতে না পারায়
নেপালে অর্থ অভাবে হাসপাতালে ঠাঁই না পেয়ে ফুটপাথে প্রসব


কাঠমান্ডু, ১০ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : টাকা না থাকায় হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেননি এক প্রসূতি। শেষ পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালের সামনেই ফুটপাথে সন্তানের জন্ম দিতে বাধ্য হলেন নেপালের রাজবিরাজের এক মহিলা। পরিবারের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষার টাকা দিতে না পারায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ভর্তি করেনি। এই ঘটনায় হাসপাতাল ও সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

ঘটনাটি বুধবার ভোররাতের। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত দেড়টা নাগাদ প্রসবযন্ত্রণা শুরু হয় রাজবিরাজ পুরসভার পারসাহি এলাকার বাসিন্দা ববিতা পাসওয়ানের। স্বামী হরেরাম পাসওয়ান এবং শাশুড়ির আত্মীয় দুই মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে সিটি রিকশায় করে তিনি হাসপাতালে পৌঁছন।

অভিযোগ, প্রসূতি বিভাগে থাকা এক নার্স প্রথমে আল্ট্রাসাউন্ড এবং রক্ত ও প্রস্রাবের পরীক্ষা করানোর কথা বলেন। ওই পরীক্ষাগুলির জন্য প্রায় ২,৫০০ নেপালি টাকা খরচ হবে বলে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়। কিন্তু ববিতা জানান, তাঁর কাছে সেই টাকা নেই।

ববিতার অভিযোগ, পরীক্ষা না করালে হাসপাতালে প্রসব করানো হবে না বলে তাঁকে বাইরে চলে যেতে বলা হয়। এরপর হাসপাতালের সামনেই ফুটপাথে বসে থাকতে হয় তাঁকে। বুধবার ভোররাত আড়াইটে নাগাদ সেখানেই সন্তানের জন্ম দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ববিতা জানান, তিনি অত্যন্ত দরিদ্র। এর আগে তাঁর তিন সন্তানের স্বাভাবিক প্রসব হলেও সেই সময় কোনও পরীক্ষা করাতে হয়নি। সরকারি হাসপাতালের সামনে ফুটপাথে এক মহিলার প্রসবের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর ঘটনাটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠেছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সুনন্দা দাস




 

 rajesh pande