পুজোর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উদ্বোধন করলেন বিশ্বের সর্ববৃহৎ 'ফ্যাশন ওয়ার্ডরোব'
কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : দুর্গাপূজার প্রাক্কালে কলকাতায় শুক্রবার উন্মোচিত হলো এক অনন্য ''ফ্যাশন ওয়ার্ডরোব'। সল্টলেকের সিটি সেন্টার-১ প্রাঙ্গণে একটি বেসরকারি সংস্থার নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম এই ‘ফ্যাশন ওয়ার্ডরোব’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ম
শুভেন্দু অধিকারী


কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : দুর্গাপূজার প্রাক্কালে কলকাতায় শুক্রবার উন্মোচিত হলো এক অনন্য 'ফ্যাশন ওয়ার্ডরোব'। সল্টলেকের সিটি সেন্টার-১ প্রাঙ্গণে একটি বেসরকারি সংস্থার নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম এই ‘ফ্যাশন ওয়ার্ডরোব’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ৫০ ফুট দীর্ঘ এবং ২০ ফুট চওড়া বিশাল এই শৈল্পিক প্রদর্শনটিকে (ইনস্টলেশন) একই দিনে 'গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস'-এর স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং উদ্বোধনী মঞ্চেই সংস্থার প্রতিনিধিদের হাতে মানপত্র তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল, বিধাননগর পুরনিগমের প্রশাসক রবি আগরওয়াল এবং বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার অমিত রাঠোর সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগকে রাজ্যের শিল্প ও ব্যবসার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে এক ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেন। তিনি জানান, শুধু সরকারি কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বেসরকারি ক্ষেত্রের উদ্যোগকে উৎসাহিত করতেই তিনি এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য ও শিল্পের অনুকূল পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিগত চার মাসে রাজ্য সরকার ও বেসরকারি ক্ষেত্রের যৌথ উদ্যোগে নতুন করে ব্যবসার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন যে, সিণ্ডিকেট রাজ ও কাটমানি সংস্কৃতির কারণে রাজ্যে ব্যবসার পরিবেশ নষ্ট হয়েছিল। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব হলো সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম নথিভুক্ত করার জন্য তিনি সংস্থার কর্তৃপক্ষকে অভিনন্দন জানান।

রাজ্যে ওই সংস্থার ব্যবসা সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে সংস্থাটির ১১০টি স্টোর রয়েছে, যা আগামী দিনে বাড়িয়ে ২৫০টি করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি তাদের কেন্দ্র বাড়ালে রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে ১০টি রাজ্যে এই সংস্থার মোট ২৭৫টি স্টোর রয়েছে। যার মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৬ হাজার এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৮২৫টি অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সরবরাহকারী হিসেবে সংস্থাটির সাথে যুক্ত।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande