
হাফলং (অসম), ১২ সেপ্টেম্বর (হি স): মেধার স্বীকৃতি এবং আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে জোড়া উদ্যোগ ডিমা হাসাওয়ে। শনিবার হাফলংয়ের জেলা গ্রন্থাগার প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত হল ‘গ্র্যান্ড ফেলিসিটেশন সেরিমনি ২০২৬’। একই অনুষ্ঠানে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন বৃত্তি প্রকল্পেরও সূচনা করা হয়।
জেলার কৃতী ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সাফল্যকে সম্মান জানাতেই এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন। চিকিৎসাশাস্ত্রে প্রবেশিকা পরীক্ষা, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান-সহ দেশের বিভিন্ন নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাফল্য পাওয়া পড়ুয়াদের অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করা হয়। পাশাপাশি অসম লোকসেবা কমিশনের পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদেরও সম্মান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিমা হাসাও স্বশাসিত পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য দেবোলাল গর্লোসা। ছিলেন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহিত হোজাই, যুগ্মসচিব রেবেকা চাংসান, কার্যনির্বাহী সদস্য প্রবিতা জহরি-সহ পরিষদের আধিকারিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে কৃতী পড়ুয়াদের পাশাপাশি তাঁদের অভিভাবকেরাও উপস্থিত ছিলেন। সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে কৃতীদের হাতে সংবর্ধনা তুলে দেওয়া হয়। পড়াশোনায় সাফল্যের পাশাপাশি জেলার অন্যান্য পড়ুয়াদেরও উচ্চশিক্ষার প্রতি উৎসাহিত করাই ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম লক্ষ্য।
অন্য দিকে, আর্থিক অনটনের কারণে যাতে কোনও মেধাবী ছাত্রছাত্রীর উচ্চশিক্ষার পথ আটকে না যায়, সেই লক্ষ্যেই দারিদ্রসীমার নীচে থাকা পরিবারের পড়ুয়াদের জন্য বৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক ভাবে দুর্বল পরিবারের মেধাবী পড়ুয়ারা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এক দিকে কৃতীদের সম্মান, অন্য দিকে অর্থের অভাবে পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ—দুইয়ের সমন্বয়ে এ দিনের অনুষ্ঠান ডিমা হাসাওয়ের শিক্ষা ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব