দিল্লিতে লাম্পি স্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণে, ৪৫ হাজারের বেশি গবাদি পশুকে টিকা
নয়াদিল্লি, ১৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে গবাদি পশুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়া লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি)-এর বর্তমান পরিস্থিতি, টিকাকরণ, নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে রবিবার উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। দিল্লিতে বর্তমান
দিল্লিতে লাম্পি স্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণে, ৪৫ হাজারের বেশি গবাদি পশুকে টিকা


নয়াদিল্লি, ১৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে গবাদি পশুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়া লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি)-এর বর্তমান পরিস্থিতি, টিকাকরণ, নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে রবিবার উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। দিল্লিতে বর্তমানে এই রোগে ৫৮৪টি সক্রিয় সংক্রমণের ঘটনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আক্রান্ত গবাদি পশুর মধ্যে সংক্রমণের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে কম এবং সুস্থ হওয়ার হারও ভালো। এখনও পর্যন্ত কোনও গবাদি পশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

কেন্দ্রীয় মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, পশুপালন ও দুগ্ধ দফতরের (ডিএএইচডি) পশুপালন কমিশনার ডা. নবীনা বি. মহেশ্বরাপ্পা দিল্লির পশুপালন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে রোগ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন। রোগের সংক্রমণ রুখতে ধারাবাহিক টিকাকরণ, সক্রিয় নজরদারি এবং সময়মতো নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উপর তিনি জোর দেন।

মন্ত্রক জানিয়েছে, দিল্লিতে শনাক্ত ৫৮৪টি সক্রিয় সংক্রমণের ঘটনা মূলত টিকা না নেওয়া এবং দুর্বল গবাদি পশুর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে অপুষ্টিতে ভোগা অথবা আগে থেকেই অন্য রোগে আক্রান্ত পশুও রয়েছে। রোগ প্রতিরোধে ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত রাজধানীতে ৪৫,৯৫০টির বেশি গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকাকরণ অভিযান এখনও চলছে।

পর্যালোচনা বৈঠকে দিল্লি পুরনিগম (এমসিডি), গোশালা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বেওয়ারিশ গবাদি পশুর ব্যবস্থাপনা ও টিকাকরণ আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আক্রান্ত পশুকে পৃথক রাখা, মাছি-মশা নিয়ন্ত্রণ এবং জীবাণুমুক্তকরণের মতো জৈব-নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা কঠোরভাবে কার্যকর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংক্রমণের বিস্তার রুখতে প্রতিবেশী রাজ্যগুলির সঙ্গে লাগোয়া সীমান্ত এলাকায় স্থায়ী চেকপোস্ট তৈরি করে পশুদের যাতায়াতের উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পশুপালক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির সহযোগিতায় ব্যাপক সচেতনতা অভিযান চালানোর উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সময়মতো টিকাকরণ এবং উন্নত পশুপালন পদ্ধতিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande