
কলকাতা, ২১ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : বিকল্প প্রতীক ‘আলমারি’ পেয়েও খাম হাতছাড়া করতে নারাজ নওশাদ সিদ্দিকির আইএসএফ। আগেই নির্বাচন কমিশনের এই প্রতীক-সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ চিঠি লিখেছিলেন দলের একমাত্র বিধায়ক। এবার এনিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন নওশাদরা।
প্রতীক নিয়ে যে যুদ্ধ এতদিন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ছিল, দল ভাগ হয়ে যাওয়ার পর যুদ্ধের আঁচ বাইরেও। গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের রায়ে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস আলাদা হওয়ার পর নতুন প্রতীক পেয়েছে তারা। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ‘খাম’ প্রতীক, যা এতদিন ছিল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের মামলাটি দায়ের হবে। আগামী ৬ অক্টোবর, দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের আগে প্রতীক ফিরে পেতে আইনের কতটা সাহায্য পাবেন তাঁরা, সেটাই এখন দেখার।
২০২১ সাল থেকে আইএসএফের এই প্রতীক, অর্থাৎ খাম নিয়ে নির্বাচনে লড়েছে। রেজিস্টার্ড সেই একই প্রতীক কীভাবে কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে দিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দলের একমাত্র বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। পরে দুই রাজনৈতিক দলের একই প্রতীক নিয়ে বিভ্রাট মেটাতে কমিশন আইএসএফকে ‘আলমারি’ প্রতীক দেয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও ‘খাম’ হাতছাড়া করতে নারাজ নওশাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত