(আপডেট) বৃদ্ধাকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় প্রাক্তন কাউন্সিলর-সহ ৮ জনের যাবজ্জীবন
ঝাড়্গ্রাম, ২২ সেপ্টেম্বর ( হি. স.): জমি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধাকে পুড়িয়ে হত্যার ১৩ বছরের পুরনো মামলায় প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর গৌরাঙ্গ প্রধান-সহ আট জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিল আদালত। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও
(আপডেট) বৃদ্ধাকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় প্রাক্তন কাউন্সিলর-সহ ৮ জনের যাবজ্জীবন


ঝাড়্গ্রাম, ২২ সেপ্টেম্বর ( হি. স.): জমি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধাকে পুড়িয়ে হত্যার ১৩ বছরের পুরনো মামলায় প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর গৌরাঙ্গ প্রধান-সহ আট জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিল আদালত। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক অরবিন্দ মিশ্র এই সাজা ঘোষণা করেন। গৌরাঙ্গকে ১৫ হাজার টাকা এবং বাকি সাত জনকে ১২ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। জরিমানা দিতে না পারলে প্রত্যেককে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। দোষী সাব্যস্ত আট জন হলেন গৌরাঙ্গ প্রধান, সাধন সিংহ, তাপস দাস ওরফে ভোকো, রানাপ্রতাপ সিংহ, গৌর দণ্ডপাট, রাহুল মুখার্জি, গৌর সিংহ এবং তন্ময় দাস। মামলার আর এক অভিযুক্ত তারকনাথ প্রামাণিকের বিচার চলাকালীন মৃত্যু হয়। অন্য অভিযুক্ত পরেশ ঘোষকে বেকসুর খালাস করেছে আদালত। সরকারি আইনজীবী তপন কুমার সিনহা জানান, ২০১৩ সালের ২৮ মে ঝাড়গ্রাম শহরের বেনাগেড়িয়া এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে সাবিত্রী সরকারের সঙ্গে অভিযুক্তদের বচসা হয়।অভিযোগ, সেই সময়ই বৃদ্ধার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।পরে তাঁর ছেলে সঞ্জয় সরকার ঝাড়গ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে মোট ১০ জনের নাম উঠে আসে। তাঁদের গ্রেফতার করা হলেও পরে সকলেই জামিনে মুক্ত হন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় আদালতে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি সাবিত্রী সরকারের মৃত্যুকালীন জবানবন্দিও আদালতে পেশ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনে গৌরাঙ্গ প্রধান ঝাড়গ্রাম পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। চলতি বছর পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর তিনি প্রাক্তন কাউন্সিলর হন।

সরকারি আইনজীবী জানান, সোমবার আদালত আট জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। ওই দিনই তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার তাঁদের সাজা ঘোষণা করা হল।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande