মোথাবাড়ি কাণ্ডে বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনকে এনআইএ-র সমন
মালদা, ২২ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তের পরিধি আরও বাড়িয়ে সুপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। আগামী ২৪ সেপ
বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন


মালদা, ২২ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তের পরিধি আরও বাড়িয়ে সুপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁকে কলকাতার এনআইএ দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে এই একই মামলায় বিধায়কের স্বামী মেহবুব আলমের নাম সামনে এসেছিল এবং গত আগস্ট মাসে তাঁকে এনআইএ আধিকারিকদের মুখোমুখি হয়ে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত গত বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে এপ্রিল মাসে। কালিয়াচক-২ ব্লকের বিডিও অফিসে এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন বিরোধিতার মাধ্যমে একটি উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীদের গুরুতর অভিযোগ ছিল যে, প্রয়োজনীয় সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অনেকের নাম ভোটার তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে। সেই বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালীন একাধিক বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে দীর্ঘক্ষণ বিডিও অফিসে আটকে রাখা (ঘেরাও) হয় এবং পরবর্তীতে তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের গাড়িতে ভাঙচুর ও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে।

মহিলা বিচারক সহ একাধিক বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের সঙ্গে চরম অসদাচরণ ও নিরাপত্তার গুরুতর লঙ্ঘনের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে এনআইএ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেছিল।

বর্তমানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই সংক্রান্ত ঘটনায় মোট ১২টি পৃথক এফআইআর রুজু করে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই দু'টি পৃথক চার্জশিট আদালতে পেশ করেছে সংস্থাটি। প্রথম চার্জশিটে ২২ জন এবং দ্বিতীয় চার্জশিটে ১ জন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ রয়েছে, যার ফলে দু'টি চার্জশিট মিলিয়ে অভিযুক্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩। এবার খোদ স্থানীয় বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনকে সমন জারি করায় মোথাবাড়ি মামলার তদন্তপ্রক্রিয়া এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande