কোচবিহারে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের রূপরেখা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
কোচবিহার, ২২ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদ তথা মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথমবার কোচবিহারে পা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কোচবিহার জেলায় পৌঁছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের রূপ
শুভেন্দু অধিকারী (ফাইল ফটো)


কোচবিহার, ২২ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদ তথা মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথমবার কোচবিহারে পা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কোচবিহার জেলায় পৌঁছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের রূপরেখা ঘোষণা করেন তিনি। ঐতিহাসিক শ্রীশ্রী মদনমোহন মন্দিরে পুজো অর্চনার মাধ্যমে নিজের সফর শুরু করার পর মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানান, কোচবিহারের পরিকাঠামোগত সামগ্রিক উন্নতির স্বার্থে রাজ্য সরকারের তরফে অর্থের কোনও ঘাটতি হতে দেওয়া হবে না।

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে পুনরায় নিয়মিত বিমান পরিষেবা চালু করার বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগের কথা সাংবাদিকদের জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী কে. রামমোহন নাইডুর সঙ্গে ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের আওতায় বিশেষ প্রশাসনিক চুক্তি সম্পাদনের কাজ বর্তমানে চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগামী ৯ মে ২০২৭-এর মধ্যে কোচবিহারের উন্নয়ন সম্পর্কিত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত করার বিশেষ লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, জেলার বিভিন্ন রূপায়িত ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিআর (DPR) তৈরি, প্রয়োজনীয় জমি চিহ্নিতকরণ এবং সরকারি তহবিল বরাদ্দের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। জেলার অভ্যন্তরীণ সড়ক, রেলপথ এবং আকাশপথে যোগাযোগের মাধ্যম সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সার্বিক পর্যটন শিল্পের ওপর বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। 'বিশ্ব গন্ডার দিবস'-এর বিশেষ প্রেক্ষাপটে তরাই-ডুয়ার্স অঞ্চলের ধর্মীয় ও প্রাকৃতিক পর্যটন সম্ভাবনার বিপুল দিকগুলি এদিন তুলে ধরেন তিনি।

কোচবিহারে আগত পর্যটকদের সুবিধার্থে আধুনিক গেস্ট হাউস এবং উন্নত থাকার বন্দোবস্ত গড়ে তোলার পাশাপাশি সামগ্রিক পর্যটন পরিকাঠামো প্রসারের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এর পাশাপাশি 'জল জীবন মিশন', 'প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর', 'অন্নপূর্ণা যোজনা', 'প্রধানমন্ত্রী আবাসন যোজনা', 'পিএম কিষাণ সম্মান নিধি' এবং রাজ্য সরকারের 'কৃষক বন্ধু' প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত নথিপত্র পুনর্মূল্যায়ন ও যাচাইয়ের কাজ আরও দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, অতীতের সমস্ত অপ্রীতিকর ঘটনাকে পেছনে ফেলে কেবলই সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চায় বর্তমান সরকার। এই সফরকালে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande