
কলকাতা, ৩ সেপ্টেম্বর (হি. স. ) : ঋষি অরবিন্দর নামে বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্ণিত করার দাবি যাদবপুরের বিধায়ক
শর্বরী মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার যাদবপুরের মঞ্চ থেকে শর্বরী বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ঋষি অরবিন্দ বিশ্ববিদ্যালয় করা হোক।”
তাঁর কথায়, এই বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করেছিলেন ঋষি অরবিন্দ। তাঁর নীতি আদর্শের জায়গা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করার দাবি তুলেছেন তিনি।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বদলের দাবি তুলে শর্বরী বলেন, “আমাদের সঙ্ঘবদ্ধ থাকতে হবে। আরও বেঁধে বেঁধে থাকতে হবে। আমরা যত নিজেদের বাঁধতে পারব, যত সঙ্ঘবদ্ধ হতে পারব, তত জানবেন দেশবিরোধী শক্তি পিছু হঠবে, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি পিছু হঠবে।
তিনি বলেন, আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যিনি সৃষ্টি করেছিলেন, তাঁর নীতি আদর্শের জায়গা থেকে আসুন আমরা এই মঞ্চ থেকে আহ্বান করি, দরকার হলে আমরা উচ্চশিক্ষা দফতর থেকে গণদরখাস্ত জমা দিই।
তিনি বলেন, “এটাই কি বড় কথা নয় যে ত্রিগুনা সেন মঞ্চে দাঁড়িয়ে জাতীয়বাদের কথা বলছি। এটাই কি কম বড় লড়াই যে এখানে দাঁড়িয়ে আমরা মাওবাদের বিরুদ্ধে, লেনিনবাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবাদের কথা বলছি। যে লড়াইটা আমরা করতেই পারতাম না যদি ৪ মে ২০২৬ আমরা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাঁরা সঙ্ঘবদ্ধ হলেন।
সমস্ত হিন্দুরা একত্র হলেন এবং জয়ধ্বজা ওড়ালেন। যদি ভোটের ফলাফলটা একটু আলাদা হত, তাহলে যাদবপুরে গোটা পশ্চিমবঙ্গজুড়ে আবার গণহত্যা দেখত। দায়িত্ব নিয়ে বললাম।
আবার আমার কথার বিকৃতি হবে। কিন্তু আমার কথা বিকৃতি করে ঝোকানো যাবে না। সমালোচনা করে আমার ইস্পাতের মেরুদন্ডটা বাঁকানো যাবে না। যতইচ্ছে সমালোচনা করুন। মঞ্চ দাঁড়িয়ে একটা কথাই বলব, রাষ্ট্রবাদের বিরুদ্ধে কথা হলে প্রতিবাদ হবেই।”
তিনি বলেন, দরকার হলে আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী এবং আমাদের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছেও আমরা তা জমা দিই যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ঋষি অরবিন্দ বিশ্ববিদ্যালয় করা হোক। এটা যাদবপুরের অহংকার হবে। এটা যাদবপুরের গর্ব হবে।”
বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এবিভিপি-র তেরঙ্গা যাত্রা, বন্দে মাতরম গান ও জাতীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচি ছিল। ক্যাম্পাসে বিভিন্ন মনীষীর ছবিও লাগায় এবিভিপি। পরে ত্রিগুনা সেন মঞ্চে হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতির উদ্যোগে বেদমন্ত্র পাঠ ও বন্দে মাতরম গান হয়।শর্বরী মুখোপাধ্যায়রা ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাহুল সিনহা, সুখেন্দু শেখর রায় প্রমুখ।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত