আগামী এক বছরে স্কুলের সংখ্যা হাজার অতিক্রম করা উচিত; বিদ্যা ভারতীর বার্ষিক অনুষ্ঠানে আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতা, ৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সর্বভারতীয় সংস্থা বিদ্যা ভারতীর স্কুলের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিদ্যা ভারতীর স্থানীয় শাখা বিবেকা

 
বিদ্যা ভারতীর বার্ষিক অনুষ্ঠান

 
কলকাতা, ৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সর্বভারতীয় সংস্থা বিদ্যা ভারতীর স্কুলের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিদ্যা ভারতীর স্থানীয় শাখা বিবেকানন্দ বিদ্যা বিকাশ পরিষদের বার্ষিক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আহ্বান জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যা ভারতীর স্কুলের সংখ্যা এক হাজার অতিক্রম করা উচিত। তিনি সংস্থার কর্মকর্তাদের আশ্বাস দেন, রাজ্য সরকার তাঁদের সবরকম ভাবে সহযোগিতা করবে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যা ভারতীর অধীনে বর্তমানে ৩০০টিরও বেশি বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারগুলি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে রাজ্যের শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করেছিল। বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ইংরেজি ও কম্পিউটার শিক্ষা ব্যাহত হয়েছিল, আর তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার জালিয়াতি, দুর্নীতি এবং পাঠ্যক্রম বিকৃত করে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যের পূর্ববর্তী সরকারগুলির আমলে যে ধরনের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছিল, তার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে মূল্যবোধ ও জাতীয়তাবাদ জাগিয়ে তোলা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। সেই সময়ে পাঠ্যক্রমে মুঘল শাসকদের কাহিনী ছিল, কিন্তু ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কোনও উল্লেখ ছিল না। পাঠ্যক্রমে সিঙ্গুর ও টাটা সংস্থার ন্যানোর প্রসঙ্গ ঘটনা অন্তর্ভুক্ত থাকলেও স্বামী বিবেকানন্দ ও স্বামী প্রণবানন্দের মতো মহাপুরুষদের বার্তা পড়ার সুযোগ ছিল না। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার পাঠ্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে এবং অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য শিক্ষকদের নিয়োগ করে শিক্ষাঙ্গনকে কলঙ্কিত করেছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার ক্ষমতায় এসেই প্রথমে স্কুলের প্রার্থনায় 'বন্দে মাতরম' গাওয়া বাধ্যতামূলক করে জাতীয়তাবাদের চেতনাকে পুনরায় জাগ্রত করার চেষ্টা করেছে। কারণ মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের অনুভূতি অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি বলেন, আমাদের সরকার মাত্র চার মাস এসেছে। আমরা সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করছি এবং পর্যায়ক্রমে তা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, আমাদের সরকার জাতীয়তাবাদী আদর্শের বাহক এবং ভবিষ্যতে জাতীয়তাবাদের চেতনাকে শক্তিশালী করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানানো হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande