টানা বৃষ্টিতে গোঘাটে ভাঙল মাটির দোতলা বাড়ি, আশ্রয় হারিয়ে বিপাকে এক পরিবার
​আরামবাগ, ৩ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : টানা বৃষ্টির জেরে ফের মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল একটি মাটির দোতলা বাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলো বছরের পর বছর ধরে একটি পরিবারের আশ্রয় হয়ে থাকা বাড
বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে মাটির বাড়ি


​আরামবাগ, ৩ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : টানা বৃষ্টির জেরে ফের মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল একটি মাটির দোতলা বাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলো বছরের পর বছর ধরে একটি পরিবারের আশ্রয় হয়ে থাকা বাড়িটি। এই ঘটনায় মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে কার্যত পথে বসেছেন শ্যামল মালিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

​ঘটনাটি ঘটেছে গোঘাট বিধানসভার সাওড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্রজমোহনপুরের চক মোমরেজ গ্রামে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার আনুমানিক সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে আচমকাই বিকট শব্দে ভেঙে পড়ে শ্যামল মালিক ও তাঁর ভাইদের মাটির দোতলা বাড়িটি। পরপর বৃষ্টির কারণে মাটির ভিত নরম হয়ে যাওয়াকেই এই বাড়ি ধসের অন্যতম কারণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

​সকালের দিকে ঘটনাটি ঘটায় বড়সড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে রক্ষা পায়নি সংসারের কোনো সম্পদ। বাড়ির ভিতরে থাকা আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় সামগ্রী-সহ একাধিক জিনিসপত্র মাটির নিচে চাপা পড়েছে। চোখের সামনে নিজের বাসগৃহকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখে কার্যত দিশেহারা শ্যামল মালিক ও তাঁর পরিবার।

​দক্ষিণবঙ্গজুড়ে লাগাতার বৃষ্টিতে একের পর এক মাটির বাড়ি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। গোঘাট বিধানসভার বিভিন্ন এলাকাতেও ইতিমধ্যে মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—বর্ষার এই দুর্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ মাটির বাড়িগুলিতে বসবাসকারী পরিবারগুলির নিরাপত্তায় প্রশাসনের নজর কতটা?

​ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান প্রশাসনের আধিকারিকরা। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

​তবে এখন বড় প্রশ্ন, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এই অসহায় পরিবারের মাথার ওপর ফের ছাদ ফিরবে কবে? বৃষ্টির দাপট আরও বাড়লে এলাকার অন্যান্য জরাজীর্ণ মাটির বাড়িগুলির কী হবে—তা নিয়েও তৈরি হয়েছে চরম আশঙ্কা।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande