জগহরিমুড়ায় ২০ লক্ষ টাকায় কমিউনিটি হল, ভূমিপূজন-শিলান্যাস করলেন সাংসদ রাজীব
আগরতলা, ৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : আগরতলায় জগহরিমুড়াস্থিত শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়িতে নির্মিত হতে চলেছে নতুন কমিউনিটি হল। রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্যের সাংসদ তহবিলের ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই কমিউনিটি হল নির্মাণ করা হবে। শুক্রবার শুভ জন্মাষ্
ভূমি পূজন করলেন সাংসদ রাজীব


আগরতলা, ৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : আগরতলায় জগহরিমুড়াস্থিত শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়িতে নির্মিত হতে চলেছে নতুন কমিউনিটি হল। রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্যের সাংসদ তহবিলের ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই কমিউনিটি হল নির্মাণ করা হবে। শুক্রবার শুভ জন্মাষ্টমীর পুণ্যতিথিতে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিউনিটি হলের ভূমিপূজন ও শিলান্যাস অনুষ্ঠিত হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, আগরতলা পুর নিগমের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অঞ্জনা দাস, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়ি পরিচালন কমিটির সদস্যরা এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে এলাকার বহু সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য জানান, দীর্ঘদিন ধরেই জগহরিমুড়া এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে একটি কমিউনিটি হল নির্মাণের দাবি জানানো হচ্ছিল। এলাকাবাসীর সেই দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়েই তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থে মন্দির প্রাঙ্গণে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন কমিউনিটি হল নির্মাণ করা হবে।

সাংসদ বলেন, কমিউনিটি হলটি নির্মিত হলে শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়ির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আরও সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে এলাকার মানুষের বিভিন্ন সামাজিক প্রয়োজনেও এই হলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাজীব ভট্টাচার্য আরও জানান, এলাকার শিক্ষা পরিকাঠামোর উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরে দুটি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের জন্যও তাঁর সাংসদ তহবিল থেকে অর্থ প্রদান করা হয়েছে। এদিন ওই দুটি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণেরও শিলান্যাস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

একই দিনে শিক্ষা ও সামাজিক পরিকাঠামো উন্নয়নে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শিলান্যাস হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে কমিউনিটি হল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় আগামী দিনে ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে এলাকার মানুষের সুবিধা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande