রঘুবীর ঘাটে ফের বড়সড় ধস, রত্নাগিরি-সাতারা সড়কে যান চলাচল বন্ধ
রত্নাগিরি, ৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.): মহারাষ্ট্রের রত্নাগিরি ও সাতারা জেলা সংযোগকারী খেড তালুকের রঘুবীর ঘাটে রাতে ফের বড়সড় পাথর ধসে পড়ায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল থেকে মাটি, পাথর ও বড় বড় চাঙড় রাস্তায় এসে পড়ায় দু’দিক থেকেই যান চলাচল
রঘুবীর ঘাটে ফের বড়সড় ধস, রত্নাগিরি-সাতারা সড়কে যান চলাচল বন্ধ


রত্নাগিরি, ৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.): মহারাষ্ট্রের রত্নাগিরি ও সাতারা জেলা সংযোগকারী খেড তালুকের রঘুবীর ঘাটে রাতে ফের বড়সড় পাথর ধসে পড়ায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল থেকে মাটি, পাথর ও বড় বড় চাঙড় রাস্তায় এসে পড়ায় দু’দিক থেকেই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘাট দিয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ধসের কারণে সাতারা জেলার ঘাটমাথা সংলগ্ন প্রায় ১৫ থেকে ২০টি গ্রামের সঙ্গে রত্নাগিরি জেলার যোগাযোগও প্রভাবিত হয়েছে।

রঘুবীর ঘাট সাতারা ও রত্নাগিরি জেলার মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। ঘাটের উপরের অংশের বহু গ্রামের বাসিন্দারা শিক্ষা, চিকিৎসা, বাজার-সহ প্রয়োজনীয় কাজের জন্য খেড শহরে যাতায়াত করেন। কিন্তু সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ওই গ্রামগুলির দৈনন্দিন পরিবহণ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের উপরও।

ধসের জায়গায় সকাল থেকেই রাজ্য পরিবহণ নিগমের একটি বাস আটকে রয়েছে। বাসটিতে স্কুলপড়ুয়া, মহিলা-সহ অন্যান্য যাত্রী থাকায় তাঁদের ঘাটেই আটকে থাকতে হয়েছে। রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় বাসটি সামনে বা পিছনে সরানোও সম্ভব হচ্ছে না। খেডের স্কুল, কলেজ এবং অন্যান্য জরুরি কাজে বের হওয়া বহু মানুষও ধসের জায়গায় আটকে পড়েছেন।

ধস সরানোর কাজ শুরু

পাথর সরাতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। রাস্তা যান চলাচলের উপযোগী করার কাজও শুরু হয়েছে। তবে রাস্তায় পড়ে থাকা বড় বড় পাথর ও চাঙড় সরাতে সমস্যা হচ্ছে। শুধু জেসিবি দিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরানো কঠিন হওয়ায় বড় পাথর ভাঙতে ব্রেকার ব্যবহার করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

বিপুল পরিমাণ পাথর ধসে পড়ায় রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার করতে কত সময় লাগবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাস্তা সম্পূর্ণ নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত এই পথে যাতায়াতের সময় সতর্ক থাকার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

বারবার ধসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

বর্ষার মরসুমে রঘুবীর ঘাটে বারবার ধসের ঘটনা ঘটছে। ফলে ঘাটের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবার স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেন , প্রতিবার শুধু ধসের মাটি-পাথর সরানোর মধ্যে কাজ সীমাবদ্ধ না রেখে ঘাটের ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলির সমীক্ষা করা হোক। ভবিষ্যতে ধস ঠেকাতে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সাতারা ও রত্নাগিরির মধ্যে যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় ঘাটের উপরের অংশের গ্রামগুলির বাসিন্দারা ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন। আটকে থাকা এসটি বাসের যাত্রী ও অন্যান্য মানুষের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে প্রশাসনের কাছে দ্রুত ধস সরিয়ে সড়কটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande